৫ মাঘ  ১৪২৫  রবিবার ২০ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অফিসের কাজে হোক বা অন্য কারণে এ শহরের ল্যান্সডাউন ধরে অনেককেই যেতে হয়৷ তবে নাগরিক ক্লান্তি ভুলতে এ শহর ছেড়ে আরও দূরে কোথাও যেতে যাঁদের মন চায়, তাঁরা পাড়ি দিতে পারেন ল্যান্সডাউনেও৷ এ অবশ্য অন্য ল্যান্সডাউন৷ উত্তরাখণ্ডের এই ছোট্ট হিল স্টেশনটির বৈশিষ্ট জানলে নিশ্চিতই এর হাতছানি আপনি টের পাবেন৷

কী আছে এখানে? আছে অনেককিছুই, তবে সবার আগে যে কথা বলতে হয়, তা হল কথাহীনতায় হারিয়ে যাওয়ার ডাক৷ এই ক্যাকোফনির ভিতর ক্লান্ত লাগলে একটু নিরিবিলির খোঁজ দেবে এই ল্যান্সডাউন৷

আগাগোড়া এর নাম অবশ্য এমন ছিল না৷ আসল নাম, কালুডান্ডা৷ ‘ডান্ডা’ শব্দটির অর্থ পাহাড়, অর্থাৎ নামের অর্থ কালো পাহাড়৷  ১৮৮৭ সালে ব্রিটিশ অধীন ভারতের ভাইসরয় ল্যান্সডাউনের নাম অনুসারে এ জায়গার নামকরণ হয়৷ নতুন নামেই জায়গাটি পরিচিত৷ এককালে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ঘাঁটি ছিল এই অঞ্চল৷ সেই স্মৃতি আজও ইতিউতি ছড়িয়ে আছে৷ গাড়ওয়াল রাইফেল সেন্টারে যুদ্ধের সৌধটি অবশ্যই দেখতে পারেন৷ তবে তার জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন৷

lansdowne-2151684

এই শ্রাবণে ল্যান্সডাউনের কলেশ্বর মহাদেব মন্দিরে ভক্তের ভিড় লেগেই থাকে৷ এছাড়া সন্তোষী মাতার মন্দিরও ভক্ত সমাগমের জায়গা৷  এছাড়া রেজিমেন্টাল মিউজিয়াম বা দারওয়ান সিং সংগ্রহালয়ও অবশ্য ঘোরার একটি জায়গা৷ যাঁরা বোটিং করতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য ভুল্লাতাল লেকে হাজির হওয়া মাস্ট৷ এছাড়া শান্ত সেন্ট মেরি চার্চও নিশ্চিতই সকলের মন কাড়বে৷ শরৎকালে এখানে শারদোৎসবও হয়৷ এই পরিবেশে দুর্গাপুজো উপভোগ করার আনন্দ যাঁরা সাক্ষী হয়েছেন তাঁরাই শুধু জানেন৷

31417709

তবে ১৭০৬ মিটার উঁচু ল্যান্সডাউন হিল স্টেশনের ইউএসপি হল এর শান্ত, নির্জন পরিবেশ৷ অন্যান্য হিল স্টেশনের মতো এটি শহুরে নয়৷ নেই তেমন শহুরে সংযোগও৷ ফলে শহরের জীবনযাপনে ক্লান্ত হলে নিরিবিলিতে একটু কাটাতে হলে এর জুড়ি মেলা ভার৷

কীভাবে যাবেন-

দিল্লি থেকে ট্রেনে বা বাস ধরেও যাওয়া যায়৷ কাছাকাছি রেলস্টেশন হল কোতদ্বার৷ দিল্লি থেকে দুটি ট্রেনে কোতদ্বার পর্যন্ত যাওয়া যায়৷ কোতদ্বার থেকে  ৪০ কিমি পেরতে পারলেই পৌঁছনো যাবে এই শান্তির জায়গায়৷

l1_web

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং