২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

প্রসূন চক্রবর্তী: এশিয়ার শ্রেষ্ঠ বন্যজন্তু সংরক্ষণ কেন্দ্র কানহা৷ কিপলিং-এর বিখ্যাত চরিত্র মোগলি এই জঙ্গলেই বড় হয়৷ কানহার প্রবেশদ্বারও দু’টি উত্তর-পশ্চিমে কিসলি ও দক্ষিণে মুক্কি৷ উদ্যানপথ দু’টির ব্যবধান ৩২ কিমি৷ কানহায় প্রবেশের জন্য টিকিট লাগে ৫০ টাকা৷ জন্তু দেখার জন্য হাতি ভাল৷ আবার বাঘের সন্ধান খুঁজে পেয়ে ওয়াকি-টকিতে বার্তা দিয়ে হাতির পিঠে টাইগার শো-রও প্রথা আছে৷ সূর্যাস্তে দ্বার বন্ধ হয় জাতীয় উদ্যানের৷

kanha-national-park-tourist-place

অরণ্য কানহা
পশু-পাখি-পাহাড়-অরণ্যের সমাহারে নিরক্ষীয় আর্দ্র পর্ণমোচী বৃক্ষের অরণ্য কানহা৷ ২২ ধর্মী স্তন্যপায়ী জীবের বাস এশিয়ার অন্যতম বৈচিত্রময় প্রকৃতির অ্যাম্ফ-থিয়েটার কানহায়৷ কোর এলাকা ৯৪০ বর্গকিমি কানহার সংরক্ষিত বন৷ বয়ে চলেছে বানজার, সুলকুম, হালোঁর নদী৷ আর আছে শ্রবণ তালাও৷ কথিত আছে এই তালাও-র জল নিতে এসে দশরথের তির বিদ্ধ হন অন্ধমুনির পুত্র শ্রবণ বা সিন্ধু৷

সামনেই বাঘ
থেমিডা ঘাসের বনরাস্তায় জিপ চলে অরণ্য ফুঁড়ে কানহায়৷ বাঘ, চিতাবাঘের জন্য কানহা উদ্যানের প্রশস্তি৷ হরিণের রকমভেদও রয়েছে৷ ভালুকেরাও গ্রীষ্মের বিকেলে মহুয়ার মৌতাতে বেরোয়৷ তবুও সূর্যাস্তের সঙ্গে নানা জন্তু দেখার জন্য কানহার সর্বোচ্চ বামনী দাদার সানসেট পয়েন্টের আকর্ষণ অনন্য৷ কানহার নবতম সংযোজন প্রর্দশনশালা সকাল সাতটা থেকে দশটা, আবার বিকাল চারটা থেকে ছটা পর্যন্ত খোলা৷ কানহায় অতীতের রেস্ট হাউসে, ৫টি গ্যালারিতে প্রদর্শন ছাড়াও রিসার্চ হল বসেছে৷

hotel_resrvation

কীভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে সরাসরি যাত্রায় গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস বা অন্য ট্রেনে গোণ্ডিয়া পৌঁছে সাতপুর এক্সপ্রেসে নয়নপুর গিয়ে জিপে খাটিয়া বা কিসলি চলে যাওয়া যায়৷ সরাসরি যাত্রায় হাওড়া-মুম্বই মেলে বিলাসপুর পৌঁছে মুক্কী হয়েও কানহা যাওয়া যেতে পারে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং