Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Air New Zealand

আকাশে এবার দোতলা বিছানা, ১৭ ঘণ্টার উড়ানে নিশ্চিন্তে ঘুমোবে ইকোনমি ক্লাস

দীর্ঘ বিমান যাত্রার ক্লান্তি এবার কাটবে। মাঝ আকাশে দু’চোখের পাতা এক করার জন্য আর বিজনেস ক্লাসের মহার্ঘ টিকিটের অপেক্ষায় থাকতে হবে না। সাধারণ যাত্রীদের জন্য এবার বিমানে ‘বাঙ্ক বেড’ বা দোতলা বিছানার ব্যবস্থা আনল এয়ার নিউজিল্যান্ড। সম্প্রতি নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে এই অভিনব ‘স্কাইনেস্ট’ পড বা স্লিপিং পডের পর্দা উন্মোচন করেছে অকল্যান্ডের এই বিমান সংস্থা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ২০:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ২০:০৬

options
link
আকাশে এবার দোতলা বিছানা, ১৭ ঘণ্টার উড়ানে নিশ্চিন্তে ঘুমোবে ইকোনমি ক্লাস zoom
সাধারণ যাত্রীদের জন্য এবার বিমানে ‘বাঙ্ক বেড’-এর ব্যবস্থা করল এয়ার নিউজিল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ বিমান যাত্রার ক্লান্তি এবার কাটবে। মাঝ আকাশে দু’চোখের পাতা এক করার জন্য আর বিজনেস ক্লাসের মহার্ঘ টিকিটের অপেক্ষায় থাকতে হবে না। সাধারণ যাত্রীদের জন্য এবার বিমানে ‘বাঙ্ক বেড’ বা দোতলা বিছানার ব্যবস্থা আনল এয়ার নিউজিল্যান্ড। সম্প্রতি নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে এই অভিনব ‘স্কাইনেস্ট’ পড বা স্লিপিং পডের পর্দা উন্মোচন করেছে অকল্যান্ডের এই বিমান সংস্থা।

ছবি: সংগৃহীত

সাধারণত দীর্ঘ সফরের আন্তর্জাতিক উড়ানে ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীদের বসে থেকেই রাত কাটাতে হয়। সেই অস্বস্তি দূর করতেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। নিউজিল্যান্ডের এই সংস্থাটি আগে ‘স্কাই কাউচ’-এর ধারণা এনেছিল, যেখানে তিনটি আসনকে মিলিয়ে সমতল বিছানা তৈরি করা যেত। এবার তারা সরাসরি বাঙ্ক বেড নিয়ে এল। নীলচে-বেগুনি আলোয় সাজানো এই পডগুলি দেখতে অনেকটা ট্রেনের স্লিপার বার্থের মতো। একটির ওপর আর একটি, এইভাবে মোট ছয়টি শয্যার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে একেকটি ব্লকে।

Advertisement

সংস্থা সূত্রে খবর, বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার বিমানে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। আগামী নভেম্বর মাস থেকে নিউইয়র্ক ও অকল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টার উড়ানে এই পরিষেবা চালু হচ্ছে। প্রায় নয় হাজার মাইলের এই যাত্রাপথে যাত্রীরা চার ঘণ্টার স্লট বুক করতে পারবেন। প্রতিটি পডে থাকছে নরম তোশক, বালিশ, কম্বল এবং গোপনীয়তা রক্ষার জন্য দীর্ঘ পর্দা। এমনকী মোবাইল বা গ্যাজেট চার্জ দেওয়ার জন্য ইউএসবি প্লাগও মজুত থাকছে সেখানে।

ছবি: সংগৃহীত

তবে এই সুবিধা পেতে পকেটের কড়ি একটু বেশিই খসাতে হবে বইকি! ইকোনমি ক্লাসের টিকিটের দামের বাইরেও চার ঘণ্টার ঘুমের জন্য দিতে হবে বাড়তি ৪৯৫ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৪৬ হাজার টাকার কাছাকাছি। যাত্রীদের আগেভাগে এই পড বুক করতে হবে। চার ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আলো জ্বলে উঠবে। কেউ না জাগলে বিমানকর্মীরা এসে ডেকে দেবেন। এরপর পরবর্তী যাত্রীর জন্য বিছানা পরিষ্কার করতে আধ ঘণ্টা সময় নেওয়া হবে।

এয়ার নিউজিল্যান্ডের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য সংস্থাও এই পথে হাঁটছে। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ২০২৭ সাল নাগাদ ‘রিল্যাক্স রো’ আনার পরিকল্পনা করেছে। ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্স এবং আজুল এয়ারলাইন্সও ইতিমধ্যে এই ধরনের আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা চালু করেছে। মাঝ আকাশে ঘুমের এমন আয়োজন বিমান পরিষেবার সংজ্ঞাই বদলে দিচ্ছে। এখন সাধারণ মানুষও দীর্ঘ উড়ানে আরামদায়ক বিশ্রামের সুযোগ পাবেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.