×

৩ চৈত্র  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৩ চৈত্র  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের (ডিএইচআর) হেরিটেজ তকমা বাঁচাতে ইউনেসকোর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে ভারতীয় রেল। কীভাবে ডিএইচআর-এর হেরিটেজ মূল্য ধরে রাখা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য মঙ্গলবার থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত একটি দীর্ঘ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। টয়ট্রেনকে নিরঙ্কুশভাবে চালু রাখা, পাহাড়ের রাজনৈতিক-সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা থেকে টয়ট্রেনকে বাইরে রাখা এবং নিউ জলপাইগুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ৮৮ কিলোমিটার ডিএইচআর এর রেলপথকে সমস্ত রকম বাধা বিঘ্ন পেরিয়ে সচল রাখার শপথ নিয়ে এই বৈঠক হবে।

এমনিতেই ২০১৬ সাল থেকে ইউনেসকোর বিশেষজ্ঞ কমিটি হেরিটেজ টয়ট্রেনকে সবরকম সহায়তা দিয়ে আসছে। আর্থিক, আইনি এবং প্রযুক্তিগত সাহায্যও মিলেছে। তবে সম্প্রতি কয়েক বছর ধরে প্রাকৃতিক এবং রাজনৈতিক কারণে টয়ট্রেনের যাত্রা বারবার ব্যাহত হয়েছে। ফলে এর চাহিদা এবং গুরুত্ব দুই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে বলে ইউনেসকোর রিপোর্টে বলা হয়েছে। তার উপর পর্যটকদের তরফে বারবার অভিযোগ উঠেছে, আগে থেকে বুকিং করে ও ঘুরতে এসে যাত্রা বাতিলের সম্মুখীন হতে হয়েছে বিদেশি পর্যটকদের। এই অভিযোগের বিষয়টিকে হালকাভাবে নিতে চাইছে না ইউনেসকো। অনেক সময় লাইনের উপর আবর্জনা ফেলে রাখা হচ্ছে। যার ফলে চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। এই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখে একে নতুন করে নির্দেশিকা তৈরি করে বাঁচিয়ে তোলার প্রয়োজন বলে মনে করছে ইউনেসকো। সেই কারণেই তারা ভারতীয় রেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথভাবে ডিএইচআরকে আগের মহিমায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে।

সান্দাকফুতে বিকল্প ট্রেকিং রুটের খোঁজ পর্যটন দপ্তরের ]

ইউনেসকোর তরফে এক বাস্তুকার জানিয়েছেন, তিন দিনের এই বৈঠকে সমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এর হেরিটেজ তকমা কীভাবে বজায় রাখা যায়, সে বিষয়ে মূলত জোর দেওয়া হবে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে অধিকর্তা এমকে নার্জারি বৈঠকের কথা স্বীকার করেছেন। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হবে সে বিষয়ে বৈঠকের পরই তিনি কিছু বলতে পারবেন বলে জানান।

১৯৯৯ সালে দার্জিলিং হিমালয়ের রেলওয়ে ও টয়ট্রেন একসঙ্গে হেরিটেজ তকমা পায়। ১৮৭৯ সালে প্রথম দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের কাজ শুরু হয়। তখন নাম ছিল দার্জিলিং স্টিম ট্রামওয়েজ। শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত ১৮৮০ সালে রেলপথ উদ্বোধন হয়। দু’বছর পর শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ১৮৮১ সালে রেলপথ চালু হয়। তখনই নাম বদলে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে রাখা হয়।

অর্কিডের ভিড়ে কুমির দেখে ছুটি কাটাতে চান? রইল সেরা ঠিকানার খোঁজ ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং