Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Ramayan Yatra

চালু হল ভারত গৌরব ট্যুরিস্ট ট্রেন, এক সফরেই সাক্ষী থাকুন রামচন্দ্রের যাত্রাপথের

আঠেরো দিনেই ভারত-নেপালে রামের স্মৃতিজড়িত স্থানগুলিতে ঘুরে আসা যাবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৫:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২২, ১৫:৩২

options
link
চালু হল ভারত গৌরব ট্যুরিস্ট ট্রেন, এক সফরেই সাক্ষী থাকুন রামচন্দ্রের যাত্রাপথের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতীয় রেলের নয়া উদ্যোগ। এবার একটি ট্রেনে চেপেই ঘুরে আসা যাবে ভারত ও নেপালের বেশ কিছু অংশ। রামায়ণে যেসব জায়গার কথা লেখা হয়েছে, সেই সব জায়গায় ঘুরবে এই ট্রেন। সীমান্ত অতিক্রম করে প্রথমবার নেপালে যাবে কোনও ভারতীয় ট্রেন। ভগবান রামের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলিতে ভ্রমণ করা ট্রেনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভারত গৌরব’ (Bharat Gaurav Tourist Train)। মঙ্গলবারই পাঁচশো জনকে নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই বিশেষ ট্রেন। উদ্বোধনী যাত্রার সূচনা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

ট্রেনের প্রথম গন্তব্য রামের জন্মস্থান অযোধ্যা (Ayodhya)। পর্যটকরা সুযোগ পাবেন শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির ও হনুমান মন্দিরে যাওয়ার। পাশাপাশি রামের অনুজ ভরতের মন্দির, যা নন্দীগ্রামে অবস্থিত, সেই ভরত মন্দিরেও নিয়ে যাওয়া হবে পর্যটকদের। উত্তরপ্রদেশ পর্ব শেষ করে ট্রেন পৌঁছে যাবে বিহারের বক্সারে। মহর্ষি বিশ্বামিত্রের আশ্রম ঘুরে রামরেখা ঘাটে গঙ্গাস্নান সেরে পর্যটকরা এরপর পৌঁছে যাবেন সীতার জন্মস্থান সীতামারিতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রত্যেক বাড়িতে থাকে বিষধর সাপ! দেশের কোথায় এই গ্রাম জানেন?]

তারপরেই ভারতের সীমানা পেরিয়ে নেপালের জনকপুরে (Janakpur) পৌঁছে যাবে এই ট্রেন। জনকপুরের রাম-জানকী মন্দির দর্শন করে সেখানকার হোটেলে একরাত কাটিয়ে পরের দিন ফের ভারতে ফিরে আসবে ট্রেন। গন্তব্য বারাণসী। কাশীতে সীতামন্দির দেখার পাশাপাশি প্রয়াগ, শ্রিংভেরপুর ও চিত্রকূটে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে সড়কপথে। রাতে রাখা হবে হোটেলে। তারপরেই ট্রেন পৌঁছে যাবে সোজা নাসিকে। সেখানে ত্রম্বকেশ্বরের মন্দির ও পঞ্চবটী দেখার পরে এরপর পর্যটকদের গন্তব্য হাম্পি, কিষ্কিন্ধ্যা। সেখানে হনুমানের জন্মস্থান ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থান ঘুরে দেখবেন তাঁরা।

আরও দক্ষিণে গিয়ে কাঞ্চিপুরমে থামবে ট্রেন। পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া হবে শিব কাঞ্চি, বিষ্ণু কাঞ্চি ও কামাক্ষী মন্দির। সবশেষে তেলেঙ্গানার ভদ্রচলমে পৌঁছবে ট্রেন। ‘দক্ষিণের অযোধ্যা’ বলা হয় এই স্থানকে। এরপর ট্রেন ফিরবে দিল্লিতে।

একসঙ্গে ছ’শো জন যাত্রীকে নিয়ে চলতে পারে এই ট্রেন। ভারত ও নেপালের নানা স্থানে মোট আঠেরো দিন ধরে ঘোরা যাবে এই ট্রেনে। যাত্রার সঙ্গে আনুষঙ্গিক সমস্ত খরচ মিলিয়ে আনুমানিক ৬২৩৭০ টাকা খরচ হবে বলে জানা গিয়েছে। ট্রেনটিতে মোট এগারোটি বগি রয়েছে। প্রত্যেকটি বগিতেই কেবলমাত্র থ্রি টায়ার  এসি কোচ থাকবে। বিপদের আশঙ্কা এড়াতে ট্রেনের প্রতিটি কোচে থাকবে সিসিটিভি। সঙ্গে থাকবেন নিরাপত্তারক্ষীও। পছন্দমতো খাবারের জন্য থাকবে প্যান্ট্রি কারের সুবিধাও। ভারতের নানা প্রান্তের সংস্কৃতির ছবি দিয়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে ট্রেনের বগিগুলি। এই সাজিয়ে তোলার নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রাইড অফ ইন্ডিয়া’।

[আরও পড়ুন: বর্ষায় জঙ্গলে ঢোকা বন্ধ, কড়া পদক্ষেপ বনদপ্তরের, পুজোর আগে খুলবে অরণ্যের দুয়ার?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.