Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Cape Verde

প্রকৃতির কোলে একটুকরো স্বর্গ কেপ ভার্দে, বিশ্বকাপের ‘পুঁচকে’ দেশে কেন ভিড় পর্যটকদের?

দশটি আগ্নেয় দ্বীপের এই পুঞ্জীভুত সৌন্দর্য এতদিন যেন অন্তরালেই থেকে গিয়েছে। কিন্তু ফুটবলবিশ্বের মহাযজ্ঞে রাতারাতি ভেলকি দেখাল এই পুঁচকে দেশ। চেনা গণ্ডি পেরিয়ে ভ্রমণপিপাসুরাও এবার সম্মোহিত হয়ে ছুটছেন এই নতুন স্বর্গের টানে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২১:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৬, ২১:১৭

options
link
প্রকৃতির কোলে একটুকরো স্বর্গ কেপ ভার্দে, বিশ্বকাপের ‘পুঁচকে’ দেশে কেন ভিড় পর্যটকদের? zoom
ভ্রমণপিপাসুদের মন কাড়ছে অচিন কেপ ভার্দে। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement

আটলান্টিকের নীল জলরাশির বুক চিরে জেগে থাকা এক টুকরো রূপকথা। নাম তার কেপ ভার্দে। দশটি আগ্নেয় দ্বীপের এই পুঞ্জীভুত সৌন্দর্য এতদিন যেন অন্তরালেই থেকে গিয়েছে। কিন্তু ফুটবলবিশ্বের মহাযজ্ঞে রাতারাতি ভেলকি দেখাল এই পুঁচকে দেশ। তাদের অদম্য লড়াই আর মাঠের জাদু বিশ্বমঞ্চে আলোড়ন তৈরি করল। ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে ফিরতে লাগল এক অনুচ্চারিত নাম। মানুষ গুগল ম্যাপে খুঁজতে শুরু করল সাহারার কোল ঘেঁষে থাকা এই দ্বীপপুঞ্জকে। ফুটবলই এক লহমায় লাইমলাইটে নিয়ে এল কেপ ভার্দেকে। চেনা গণ্ডি পেরিয়ে ভ্রমণপিপাসুরাও এবার সম্মোহিত হয়ে ছুটছেন এই নতুন স্বর্গের টানে।

ছবি: সংগৃহীত

কেপ ভার্দে মানেই এক অদ্ভুত দ্বৈততা। একদিকে আফ্রিকার আদিম ছন্দ, অন্যদিকে পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক সংস্কৃতির মার্জিত রূপ। এখানকার মূল আকর্ষণ হল এর প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য। সাল বা বোয়া ভিস্তার মাইলের পর মাইল বিস্তৃত ধবধবে সাদা বালুচর যেখানে নীল সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালি করে, সেখানে মন হারিয়ে যেতে বাধ্য। আবার স্যান্টো আন্তাও-এর কুয়াশায় ঢাকা সবুজ পাহাড় ও উপত্যকা ট্রেকারদের জন্য এক পরম আশ্রয়। অন্যদিকে, ফোগো দ্বীপের বুক চিরে জেগে থাকা জীবন্ত আগ্নেয়গিরির কালো লাভাস্রোত চোখের সামনে মেলে ধরে প্রকৃতির রুক্ষ অথচ আদিম এক বীভৎস রূপ। এই রূপ বৈচিত্র্যই পর্যটকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?
ভারত থেকে সরাসরি কেপ ভার্দে যাওয়ার বিমান নেই। দিল্লি বা মুম্বই থেকে দুবাই, লিসবন বা ক্যাসাব্লাঙ্কা হয়ে পৌঁছানো যায় রাজধানী প্রেইয়া কিংবা স্যাল দ্বীপের আমিলকার ক্যাব্রাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। দ্বীপে থাকার জন্য রয়েছে রাজকীয় ব্যবস্থা। সমুদ্রমুখী বিলাসবহুল রিসর্ট থেকে শুরু করে পকেট-বান্ধব স্থানীয় ‘পেনসাও’ বা বুটিক গেস্টহাউস, সব ধরনের পরিষেবাই মিলবে অনায়াসে।

ছবি: সংগৃহীত

কখন যাবেন ও কেমন খরচ?
নভেম্বর থেকে জুন মাস— এই সময়টাই কেপ ভার্দে ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে মনোরম। আকাশ থাকে মেঘহীন, রোদ ঝলমলে। খরচের খতিয়ান উলটে দেখলে, ক্যারিবিয়ান বা ইউরোপীয় দ্বীপের তুলনায় এখানকার বাজেট অনেকটাই সাধ্যের মধ্যে। আন্তর্জাতিক বিমানভাড়া বাদ দিলে, থাকা-খাওয়া এবং অভ্যন্তরীণ দ্বীপ ভ্রমণের জন্য জনপ্রতি দৈনিক খরচ ভারতীয় মুদ্রায় গড়ে ৮,০০০ থেকে ১২,০০০ টাকার কাছাকাছি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.