২৬ কার্তিক  ১৪২৬  বুধবার ১৩ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অরূপ বসাক, মালবাজার: পুজোয় ছুটি তো পেলেন। তবে এবার কি মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে আপনার? নাকি ওই কথা ভাবলেই আপনার গায়ে জ্বর আসে? উত্তর হ্যাঁ হলে, তবে না হয় এই কটাদিন পাহাড় আর চা বাগানের মাঝেই কাটুক আপনার পুজো। কাজের ব্যস্ততাকে দূরে সরিয়ে অক্সিজেন নিতে চাইলে আপনার গন্তব্য হোক সামাবেয়ং।

Samabeong

[আরও পড়ুন: আর নিখরচায় নয় টাইগার হিল দর্শন, এবার গুনতে হবে টাকা]

পুজোয় পর্যটকদের নতুন ঠিকানা সামাবেয়ং। কালিম্পং জেলার এই নতুন জায়গা ইতিমধ্যেই পর্যটকদের মন জয় করেছে। গরুবাথান থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরের পাহাড়ের কোলের সামাবেয়ংয়ে ভিড় জমাতে পারেন আপনিও। যেদিকে তাকাবেন শুধু পাহাড় আর পাহাড়। সঙ্গে চা বাগান। সবুজ আর পাহাড় আপনার চোখকে যে শান্তি দেবে, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রাণ ভরে অক্সিজেন নিতে চাইলে সামাবেয়ংয়ে আপনাকে যেতেই হবে। এছাড়া এখান থেকে খুব কাছে লাভা, লোলেগাঁও, ঝান্ডি। রয়েছে বিভিন্ন নদী, ঝরনা এবং একাধিক ভিউ পয়েন্ট। তবে এখানে বেড়ানোর খরচ খুবই সামান্য।

Samabeong

[আরও পড়ুন: এবার দিঘায় বেড়াতে গিয়ে এই মজা থেকে বঞ্চিত হবেন, কী জানেন?]

এখানেই রয়েছে বিখ্যাত সামাবেয়ং চা বাগান। এই চা বাগানের পাতাই মূলত বিদেশে রপ্তানি করা হয়। উপরি পাওনা হিসাবে একবার ঢুঁ মারতে পারেন সামবেয়ং চা কারখানায়। যেখানে চাক্ষুষ দেখতে পাবেন বাগান থেকে তুলে আনা চা পাতা বাজারজাত করার পদ্ধতি। চাইলে স্বাদে-গন্ধে মাতোয়ারা ওই চায়ের পেয়ালায় হালকা চুমুকও দিতে পারেন। ঠোঁট ভেজার পাশাপাশি মনও যে তাতে ভরে যাবে তা নতুন করে বলার কিছুই নেই।

Samabeong

মালবাজার থেকে গরুবাথান কিংবা লাভা থেকে ঝান্ডি হয়ে গাড়ি অথবা বাসে চড়েই পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে সামবেয়ং চা বাগান। এই পাহাড়ি এলাকায় থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোম স্টে এবং বিলাসবহুল বাংলো। যেখানে খুব অল্প খরচে খাওয়াদাওয়ারও সুযোগ পাবেন আপনি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং