সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সারিবদ্ধ ঝাউবন, ঝিঁঝির ডাক, নানা ধরনের পাখির কলকাকলি, বিস্তীর্ণ সমুদ্র সৈকত—এই নিয়েই পূর্ব মেদিনীপুরের স্বল্প পরিচিত পর্যটন কেন্দ্র বাঁকিপুট৷
কী ভাবে যাবেন—
বাস বা গাড়িতে এলে দ্বিতীয় হুগলি সেতু পেরিয়ে বম্বে রোড ধরে পৌঁছে যান কোলাঘাট৷ কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে একটু এগলেই হলদিয়া মোড়৷ সেখান থেকে নন্দকুমার পেরিযে কাঁথি মোড়৷ কাঁথি থেকে ধরুন জুনপুটের রাস্তা৷ জুনপুট পেরিয়ে বাঘাপুটের রাস্তা ধরলে পথেই পরবে বাঁকিপুট৷ কাঁথি থেকে বাঁকিপুটের দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার আর জুনপুট থেকে বাঁকিপুটের দূরত্ব মাত্র ৪ কিলোমিটার৷
তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস, কাণ্ডারি এক্সপ্রেস বা দুরন্ত এক্সপ্রেসে এলে নামতে হবে কাঁথিতে৷ সেখান থেকে ভ্যানরিকশায় করে পৌঁছনো যায় বাঁকিপুটে৷

কখন যাবেন, কোথায় থাকবেন—
সারাবছরই বাঁকিপুটের আবহাওয়ার থাকে মনোরম, তাই বছরের যেকোনও সময় পৌঁছে যাওয়া যায় বাঁকিপুটে৷ নিরালা এই সৈকতে থাকার জন্য আছে ঝিনুক রেসিডেন্সি৷ এখানে মজুত রয়েছে সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধে৷ ঘরভাড়া ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা৷ খাওয়ার খরচ আলাদা৷
কী দেখবেন—
জোয়ারের সময় সমুদ্র অসামান্য৷ তবে ভাটার টানে সমুদ্র চলে যায় অনেক দূরে৷ তখন নিরালা সৈকতে শুধুই লাল কাঁকড়ার দাপাদাপি৷ ঘন ঝাউবন ঘেরা বিস্তৃত সৈকতে হাঁটতে বেশ লাগে! বেশ রোম্যান্টিক আবহ৷ সবুজের সমারোহে, ফেনিল সমুদ্র, নাগরিক সভ্যতা থেকে অনেক দূরে দূষণমুক্ত পরিবেশে মন-প্রাণ দুইই জুড়িয়ে যাবে৷

ঝাউবন, সমুদ্র তো আছেই, সেই সঙ্গে বাঁকিপুটের আছে ঐতিহাসিক গুরুত্বও৷ দেখুন সমুদ্রের ধারে প্রাচীন বাতিঘর৷ হোটেল থেকে আধ কিলোমিটার মতো হেঁটে চলে আসুন ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই বাতিঘরের কাছে৷ ঘুরে আসুন পাঁচ কিলোমিটার দূরের বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতিবিজড়িত কপালকুন্ডলা মন্দির৷ এখান থেকে কিছু দূর এগলেই দরিয়াপুর লাইট হাউস৷ এই বাতিঘর থেকে চারপাশ দেখতে দারুণ লাগে৷ ঘুরে নিন পেটুয়াঘাটের দেশপ্রাণ মৎস্যবন্দর৷
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ