×

৩ চৈত্র  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৩ চৈত্র  ১৪২৫  মঙ্গলবার ১৯ মার্চ ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাষষ্ঠীর সকাল থেকে উৎসবের চন্দননগরে জনজোয়ার। আলোকোজ্জ্বল শহরে আজ থেকেই পা পড়ছে অসংখ্য মানুষের। আলোর রোশনাইয়ের এই উৎসব শুধু উৎসব নয়, পুজোয় থাকছে নানা বার্তাও। জমে উঠেছে থিমের লড়াইও। শুধু কলকাতা কেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে ভিড় জমাবেন মানুষ পুজো। আপনারও কি জগদ্ধাত্রী পুজো দেখার পরিকল্পনা রয়েছে? কিন্তু চন্দননগরের প্রতিটি এলাকা চেনেন না। সেক্ষেত্রে যদি পুজো পরিক্রমার একখানি গাইডলাইন পাওয়া যায়, তাহলে মন্দ হয় না। তাই তো? তাহলে চটপট চোখ বুলিয়ে নিন এই প্রতিবেদনে। আর জেনে নিন, কোন পথে গেলে অল্প সময়েও অনেক ঠাকুর দেখে ফেলতে পারবেন অনায়াসেই।

ছট পুজো উপলক্ষে দুদিন ছুটি পেয়েছেন অনেক রাজ্য সরকারি কর্মী। ফলে আজ থেকেই উৎসবে শামিল দর্শনার্থীরা। তার উপর জগদ্ধাত্রী পুজোর নবমী ও দশমী পড়েছে শনি ও রবিবার। ফলে ভিড় যে উপচে পড়বে তা আন্দাজ করাই যায়। তবে দিনে নয়, চন্দননগরে জগদ্ধাত্রীর আকর্ষণ তো রাতেই। শুরুটা করুন মানকুণ্ডু স্টেশনে নেমে। স্টেশন রোড ধরে সোজা জ্যোতির মোড়। পথেই দেখে নিন মানকুণ্ডু স্পোর্টিং ক্লাব, নতুন পাড়া, নিয়োগী বাগান, বালক সংঘ, সার্কাস মাঠ, চারা বাগানের পুজো, গোপালবাগ, তেমাথার বিশাল প্রতিমা। সেখান থেকে জিটি রোড ধরে এগিয়ে যান ভদ্রেশ্বরের দিকে। দেখে ফেলুন ছুতোর পাড়া, অরবিন্দ সংঘ, বারাসত ব্যানার্জি পাড়া, বারাসত চক্রবর্তী পাড়া, বারাসত গেট, তেঁতুলতলার প্রতিমা।

[বড়দিনের আগেই দাম বাড়ছে কেক-পাউরুটির, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের]

আবার জ্যোতির মোড়ের দিকে ফিরে শিবমন্দিরের পুজো দেখে গোন্দলপাড়ার দিকে যান। সেখানকার উল্লেখযোগ্য পুজোগুলি হল চারমন্দির তলা, অম্বিকা অ্যাথলেটিক্স, এ সি চ্যাটার্জি লেন, মনসাতলা, সাতঘাট, মরান রোড, নতুন তেলিঘাট। এবার স্ট্রান্ড রোডের দিকে সোজা এসে দৈবকপাড়া, নোনাটোলা, বড়বাজারের প্রতিমা দর্শন করে নিতে পারেন। তবে হাঁটার জন্য প্রস্তুত থাকবেন। কারণ এসব রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া পাবেন না বলেই ধরে রাখুন।

Map

এবার চলে আসুন কলুপুকুরের দিকে। বিদ্যালঙ্কার দেখে বাঁ-দিকে হাঁটলে পাবেন হেলাপুকুর ধার, পালপাড়া, সুরেরপুকুর, কাঁটাপুকুর, সন্তানসঙ্ঘ, হরিদ্রাডাঙা দেখে পৌঁছে যান চন্দননগরের উত্তরতম প্রান্তে। এবার জিটি রোড ধরে দক্ষিণের দিকে এগোলেই একের পরে এক দেখতে পাবেন বোড়ো তালডাঙা, বোড়ো চাঁপাতলা, বোড়ো দিঘিরধার, বোড়ো কালীতলা সরিষাপাড়া। এরপর বড়বাজার এবং বাগবাজারের প্রাচীন পুজো দেখে চন্দননগরের স্টেশন রোডের দিকে এগিয়ে আসুন। মধ্যাঞ্চল, ফটকগোড়া, মধ্যাঞ্চল, খলিসানির পুজো সেখানেই পড়বে।

[কালীপুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রায় ফ্যাশন শোয়ে মাতল বীরভূমের এই ক্লাব]

একদিনে এর চেয়ে বেশি ঠাকুর দেখতে পারবেন না। দ্বিতীয় দিন হাতে সময় থাকলে সফর শুরু করুন চন্দননগর স্টেশন থেকে। পশ্চিম দিকে কলপুকুরধার, শীতলাতলা, বউবাজার, সুভাষপল্লির পুজো দেখে নিন। লক্ষ্মীগঞ্জ বাজারের দিকে যেতে পারলে চাউলপট্টিতে আদি মা এবং কাপড়ের পট্টিতে মেজ মা দেখতে ভুলবেন না। মোটামুটি নামকরা সব পুজোই অল্প সময়ে এভাবেই ঘুরে নিন। ভাল কাটুক আপনার উৎসবের দিনগুলি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং