Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

জলের তলায় সিনেমার নিমোকে দেখতে চান? পাড়ি জমান এই দ্বীপে

রাতে থাকার জায়গা এই দ্বীপে পাওয়া যাবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৮, ১৩:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০১৮, ১৩:০৭

options
link
জলের তলায় সিনেমার নিমোকে দেখতে চান? পাড়ি জমান এই দ্বীপে zoom

আন্দামানের জলি বয় দ্বীপ। ছুটি কাটানোর আদর্শ জায়গা। সেখান থেকে ঘুরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন শুদ্ধসত্ত্ব দাস।

জলের তলায় যে এরকম এক পৃথিবী আছে, তা বোধহয় জলি বয় দ্বীপে না গেলে অজানাই থাকত। রঙিন প্রবাল আর রঙিন মাছেদের নিয়ে এ পৃথিবীর এক অন্য স্বাদ। পোর্ট ব্লেয়ার থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের এক ন্যাশনাল পার্ক, যা ‘মহাত্মা গান্ধী মেরিন জাতীয় উদ্যান’ নামে বিখ্যাত। প্রায় ৩০ মিনিটের গাড়িতে যাত্রার পর পৌঁছানো যায় ওয়ান্ডুর জেটিঘাটে। তারপর যাবতীয় প্লাস্টিকের জিনিসপত্র রেখে স্টিমারে করে জলি বয় দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু। প্রায় ঘণ্টাখানেক দু’দিকে সবুজ ম্যানগ্রোভকে সঙ্গে নিয়ে জলপথে যাত্রা।

Advertisement

সম্পূর্ণভাবে মানুষের বসবাস বর্জিত এই দ্বীপ। কোনও পাকা জেটিঘাট নেই। তাই লঞ্চ থেকে নামতে হবে পাড় থেকে একটু দূরে। সেখান থেকে যন্ত্রচালিত বোটে করে ১০-১২ সেকেন্ডের মধ্যেই পাড়ে নেমে পড়া। দেড় স্কোয়্যার কিলোমিটারের ছোট এক দ্বীপ। ঘেরা থাকে সাদা বালি আর কাচের মতো স্বচ্ছ নীল জলরাশি দিয়ে। গ্লাস বোট রাইডে সমুদ্রের নিচের জগৎ দেখার সেই শুরু। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ এটি। এখানে রয়েছে হরেক রকম কোরাল (প্রবাল)। বোল্ডার কোরাল, ফিংগার কোরাল, কলিফ্লাওয়ার কোরাল আর সেই সঙ্গে সমুদ্রের ঢেউয়ের দুলুনি। অ্যাকোয়ারিয়ামের বাইরে এত রঙিন মাছ দেখাও এক অন্য অভিজ্ঞতা। এদের মধ্যে জেব্রা, প্যারোট, আই আর ক্লাউন ফিশ বা নিমোর কথা বলতেই হবে। রং-তুলি দিয়ে এদের বোধহয় কেউ এঁকে দিয়েছে। এছাড়া রয়েছে গাছের মতো দেখতে হলেও বিশেষ প্রাণী সমুদ্র লিলি আর সি কিউকাম্বার। একঘণ্টার রাইড।

কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে বিমানে সরাসরি আন্দামান। আন্দামান থেকে ওয়ান্ডুর গাড়িতে লাগবে ৩০ মিনিট। ওয়ান্ডুর জেটিঘাট থেকে জলি বয় দ্বীপে যাওয়ার লঞ্চের টিকিট বুক করুন। জলি বয় পৌঁছতে লাগবে ১ ঘণ্টা।  ফেরার জন্য দুপুর আড়াইটের মধ্যে সব লঞ্চ আবার ওয়ান্ডুর জেটিঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়ে যায়।

মনে রাখবেন

  • প্রায় ১৫টা দ্বীপ নিয়ে ‘মহাত্মা গান্ধী মেরিন ন্যাশনাল পার্ক’। কেবলমাত্র দু’টি দ্বীপ সাধারণ মানুষের জন্য খোলা- জলি বয় আর রেড স্কিন।
  • জলি বয় খোলা থাকে নভেম্বর থেকে মে আর রেড স্কিন খোলা থাকে মে থেকে নভেম্বর অবধি।
  • সম্পূর্ণভাবে জনবসতিহীন। তাই থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই।
  • জায়গাটি প্লাস্টিক বর্জিত।
  • ওয়ান্ডুর ফেরিঘাটে গিয়ে কিছু টাকা জমা রেখে কর্তৃপক্ষের দেওয়া বোতলে ও ব্যাগে সব জিনিস ভরে ফেলুন। অন্য কোনও ব্যাগ বা বোতল সঙ্গে নেওয়া নিষিদ্ধ।
  • পায়ে প্লাস্টিকের জুতো বা হাওয়াই চটি পরে পোর্ট ব্লেয়ার থেকে জলি বয়ের উদ্দেশে রওনা হন।
  • জলি বয়তে গিয়ে অবশ্যই গ্লাস বোট রাইড করুন। আট থেকে আশি শামিল হন জলের তলার পৃথিবীকে দেখতে।
  • ইচ্ছা করলে স্নরকেলিং, সি-ওয়াকিং করতে পারেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.