২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাথায় অঝোর বৃষ্টি নিয়ে অনেকেই টুক করে বেড়িয়ে আসতে ভালবাসেন৷ কিন্তু এমন কোথায় যাওয়া যায় যেখানে ঘন বর্ষার রূপ তেমন খোলতাই৷ বৃষ্টির ছোঁয়ায় নদীর জেগে ওঠা যদি দেখতে ভালবাসেন তবে গন্তব্য হতেই পারে মুকুটমণিপুর৷

মুকুটমণিপুরকে বলা হয় কাঁসাই নদীর গলার হার৷ অবশ্যই এখানকার প্রধান আকর্ষণ জলাধার৷ বর্ষায় টইটম্বুর জলাধার থেকে হুহু করে জল নামে কাঁসাই নদীতে৷ আর জলের তোড়ে ফুলেফেঁপে ওটা রুপসী কাঁসাই৷ এই সৌন্দর্যের হাতছানিতেই দলে দলে পর্যটকরা ভিড় জমান মুকুটমণিপুরে৷

১৯৫৬ সালে মুকুটমণিপুরে এই জলাধার তৈরির পরিকল্পনা নেন রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়৷ বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, মেদিনীপুরের মতো রাঢ়বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে চাষের সুবিধার জন্য এই জলাধার তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া৷ দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই জলাধারই এখন পর্যটকদের সেরা আকর্ষণ৷ অবশ্য কাঁসাইয়ের রূপ দেখার পাশাপাশি ঢুঁ মারা যাবে বনগোপালপুরেও৷ জলাধার থেকে অল্প দূরত্বেই এই সংরক্ষিত অরণ্য৷ প্রকৃতির বিপুল বৈচিত্র দেখার এমন সুযোগ প্রায় কেউই হাতছাড়া করতে চাইবেন না৷ এরই কাছে আছে অম্বিকানগর নামে প্রাচীন এক শহর৷ এখন আর সে নগরের কিছুই নেই, বিধ্বংসী বন্যায় সবই গিয়েছে, তবে জৈনদের এই প্রাচীন তীর্থক্ষেত্রটির নিদর্শন দেখতে মন্দ লাগবে না৷ একই সঙ্গে ভরা কাঁসাইয়ের রূপ, প্রাকৃতিক বৈচিত্র আর ইতিহাসের ছোঁয়া-আর কোথায়! তাই ঝুপ ঝুপ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে চলে যাওয়া যেতেই পারে মুকুটমণিপুরে৷

কীভাবে যাবেন-

হাওড়া থেকে ট্রেনে বাঁকুড়া৷ সেখান থেকে বাস ধরে সোজা মুকুটমণিপুর৷ এছাড়া কলকাতা থেকে অনেক বাসও ছাড়ে মুকুটমণিপুর পর্যন্ত৷

কোথায় থাকবেন-

একাধিক হোটেল আছে, যেগুলো আগে থেকে বুক করা যায়৷ এছাড়া WBFDC Nature Resort-ও থাকার জন্য আদর্শ৷

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং