৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  বুধবার ২২ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেড়ানোর নাম শুনলেই মনে আসে পাহাড়, জঙ্গল অথবা সমুদ্র সৈকতের নাম৷ কিন্তু এতো সকলেই যায়, বেড়ানো মানে তো মনের খোরাক জোগাড় করা, তাই এবার আমাদের গন্তব্য হোক অন্ধ্রপ্রদেশের স্বল্প পরিচিত বোরা গুহা৷

প্রকৃতির অনন্য সৃষ্টি ভারতের দীর্ঘতম গুহা বোরা গুহালু৷ প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট ৩০০ মিটার চওড়া এবং ৪০ মিটার গভীর৷ গুহাটি ২০০ মিটার দীর্ঘ৷

কী ভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন—

বিশাখাপত্তনম থেকে বাস বা গাড়ি ভাড়া করে যাওয়া যায় ৯০ কিলোমিটার দূরের বোরাগুহাতে৷ তবে সবচেয়ে ভাল হয় যদি কিরন্ডুল প্যাসেঞ্জার ট্রেনে আরাকুতে নেমে সেখান থেকে গাড়িতে ঘুরে নিন বোরাগুহা৷ সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকে গুহা৷
বোরাগুহাতে থাকার কোন জায়গা নেই৷ বিশাখাপত্তনম বা আরাকুতে থাকতে পারেন৷ রাজ্য পর্যটন দফতরের রিসর্ট বা বিভিন্ন মানের এবং বাজেটের হোটেলে থাকতে পারেন৷

bora2

কী দেখবেন—

প্রাচীন এই বোরা গুহা বা বোরা গুহালুর নিচে নামলে দেখা যাবে চুনাপাথরের উপর জল পড়ে তৈরি হয়েছে অনবদ্য প্রাকৃতিক শিল্পকর্ম৷ বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে স্ট্যালাক টাইট এবং স্ট্যালাক মাইট৷ লক্ষাধিক বছর ধরে তৈরি হয়েছে এইসব শিল্পকর্ম৷ ভূতাত্ত্বিকদের মতে, দশ লাখ বছর আগে সৃষ্ট গুহার মধ্যে দিয়ে একসময় বয়ে যেত নদী৷ নদীর পথ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চুনাপাথরের বিশাল দেওয়ালের ফাঁক দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা জল পড়ে প্রাকৃতিক নিয়মে তৈরি হয়েছে নানান মূর্তি৷ স্থানীয়দের বিশ্বাস, রাম লক্ষণও বনবাসকালে এখানে থেকেছেন৷ একশো কুড়িটি সিঁড়ি বেয়ে নামতে হয় গুহায়৷ ১৮০৭ সালে ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিক উইলিয়াম কিং আবিষ্কার করেন শতাব্দী প্রাচীন এই গুহা৷ তবে গুহাটি পর্যটকদের কাছে পরিচিতি লাভ করে আটের দশকে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং