Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

জীববৈচিত্রের মোহ, হেনরিজ আইল্যান্ডে মাছের লোভে হাজির বিরল মেছো বিড়াল

মাছের গন্ধে ম ম করবে আর বিড়াল ঘুরঘুর করবে না, তা-ও কি হয়?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০১৮, ২০:৩৭

options
link
জীববৈচিত্রের মোহ, হেনরিজ আইল্যান্ডে মাছের লোভে হাজির বিরল মেছো বিড়াল zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ও শ্রীষিতা ঘোষ: মাছের গন্ধে ম ম করবে আর বিড়াল ঘুরঘুর করবে না, তা-ও কি হয়? মার্কিন পর্যটন ওয়েবসংস্থা ট্রিপ অ্যাডভাইসর সদ্য অন্যতম সেরা পর্যটনস্থলের শিরোপা দিয়েছে হেনরিজ আইল্যান্ডে মৎস্য দপ্তরের পর্যটন আবাসকে। এ বঙ্গের উপকূলবর্তী বকখালির সেই দ্বীপেই এবার খোঁজ মিলল ফিশিং ক্যাট বা মেছো বিড়ালের। যাকে ইতিমধ্যে তাদের প্রজাতিরই ‘বিরল’ তকমা দিয়ে দিয়েছে জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। সূত্রের খবর, ম্যানগ্রোভ আর উপকূলবর্তী জীববৈচিত্রের সম্ভার এই হেনরিজ আইল্যান্ডে এত পরিমাণে বেড়েছে, তার টানেই সেখানে পৌঁছেছে এই ফিশিং ক্যাট। এই জীববৈচিত্রের মধ্যে সংখ্যা বেড়েছে নানা প্রজাতির মাছেরও। সব কিছু মিলিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর জীববৈচিত্রে এখন প্রতিবারই ফাইভ স্টার রেটিং পাচ্ছে মৎস্য দপ্তরের পর্যটন আবাসগুলি। পর্যটকদের এই রেটিংয়ের উপর ভিত্তি করেই মার্কিন সংস্থা ট্রিপ অ্যাডভাইসর মৎস্য দপ্তরের এই আবাসগুলিকে ‘এক্সেলেন্ট’ তকমা দিয়েছে। আর তার পরই সেরার মুকুটে জুড়ল নতুন পালক। প্রকৃতির সৌন্দর্যের টানেই হেনরিজ আইল্যান্ডে হাজির ফিশিং ক্যাট। বাঘরোল আর মেছো বিড়ালকে দেখতে অনেকটা একই ধরনের। তবে বাঘরোল চেহারায় কিছুটা বড় হয়। মাছ ছাড়া তারা নানা ধরনের ছোট জন্তুর উপর ভরসা করে থাকে। ফিশিং ক্যাট বা মেছো বিড়াল একেবারেই মাছের উপর নির্ভরশীল।

জুলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার নজরে সদ্যই পড়েছে এই বাঘরোলটি। সেখানকার সিনিয়র জুলজিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট শান্তনু মিত্র দীর্ঘদিন ধরেই ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এই এলাকার জীববৈচিত্র্য নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সম্প্রতি তাঁর নজরেই পড়ে এই শিকারি বিড়ালটি। রাতের অন্ধকারে ঘাপটি মেরে বসে আছে। ধারেকাছে মানুষ রয়েছে, আঁচ পেয়ে মুখ ঘুরিয়ে তাকাতেই এক মুহূর্তে সতর্ক। সঙ্গে সঙ্গে বেপাত্তা। গবেষকরা জানাচ্ছেন, একবার যখন স্থানীয় প্রকৃতি ওই শিকারি বিড়ালের মন টেনেছে, তবে ওই এলাকাই আপাতত তার পছন্দের। এমনকী, তার সংখ্যা হতে পারে একের বেশি। সেক্ষেত্রে তার সেখানে থাকার উপযুক্ত পরিবেশের দিকেও খেয়াল রাখা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য দপ্তরের আধিকারিকরা। মৎস্য উন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৌম্যজিৎ দাসের কথায়, “সরকার হেনরিজ আইল্যান্ড নিয়ে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। তাকে সাজানোর, তার জীববৈচিত্র‌্যর দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে পর্যটকদের পরিষেবার দিকেও গুরুত্ব দিয়ে নজর রাখা হচ্ছে।”

Advertisement

বকখালির এই এলাকার পর্যটনে বিশ্বের মন টানার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা চেষ্টা চলছিল। তার মধ্যে বকখালি উন্নয়ন পর্ষদ বেশ কিছু পরিমাণ অর্থ দিয়েছে। তাদের বরাদ্দ অর্থে বেশ কতগুলি নতুন কটেজও তৈরি হয়েছে। সঙ্গে চলছে স্থানীয় ইকোসিস্টেমকে নিরুপদ্রবে রাখার যাবতীয় বন্দোবস্ত। রাজ্য সরকারও পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। শুধু জীববৈচিত্র্যই নয়, পর্যটকরাও যাতে পরিষেবা ঠিকমতো পায়, নজর রাখা হচ্ছে সেদিকেও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.