২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

অর্কিডের ভিড়ে কুমির দেখে ছুটি কাটাতে চান? রইল সেরা ঠিকানার খোঁজ

Published by: Sayani Sen |    Posted: November 18, 2018 5:12 pm|    Updated: November 18, 2018 5:12 pm

An Images

শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: বেঙ্গল সাফারি পার্কে পর্যটকদের জন্য একের পর এক নতুন চমক আনছে রাজ্য সরকার। এবার একসঙ্গে দু’টো চমক। দেশের মধ্যে অন্যতম সবচেয়ে বড় দু’টি পার্ক তৈরি হতে চলেছে বেঙ্গল সাফারিতে। একটি অর্কিড ও অন্যটি সরীসৃপ পার্ক। এই দুই পার্কের জন্য প্রায় বারো একর জমি বরাদ্দ করেছে বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যে এই দুই পার্ক তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দেশের মধ্যে সব থেকে বড় অর্কিড পার্কের খেতাব রয়েছে অসমের কাজিরাঙ্গা অর্কিড পার্কের দখলে। সেই তালিকায় এবার নাম উঠে আসতে চলেছে শিলিগুড়ি সংলগ্ন আড়াই মাইলের বেঙ্গল সাফারি পার্কের। পাশাপাশি রেপটাইল বা সরীসৃপ পার্কের কাজও ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে।

[সমুদ্রপাড়ে থিয়েটার উপভোগ করতে এই জায়গায় আপনাকে যেতেই হবে]

পৃথক এই সরীসৃপ পার্কে এনক্লোজার বানিয়ে রাখা হয়েছে চারটি ঘড়িয়াল। এই দু’টি পার্কের জন্য প্রথম ধাপে প্রায় ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। বনদপ্তর পুরো কাজটির পরিচালনা করবে। বেঙ্গল সাফারি পার্কের জু ডিরেক্টর অরুণ মুখোপাধ্যায় বলেন, “রেপটাইল পার্কের কাজ শুরু হয়েছে। পাশেই অর্কিড পার্ক তৈরি হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হলেই পর্যটকদের জন্য সরীসৃপ পার্কটি খুলে দেওয়া হবে।”

[ঘুরপথে নয়, এবার সহজেই দিঘা থেকে যাওয়া যাবে তাজপুর]

রাজ্যের বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মন বলেন, “বেঙ্গল সাফারি পার্ক ইতিমধ্যে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নিয়েছে। এই সাফারি পার্কটিকে বিশ্বের আঙিনায় তুলে ধরাই মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন। অর্কিড ও সরীসৃপ পার্ক তৈরির ছাড়পত্র মিলেছে। কাজও শুরু হয়েছে।” বেঙ্গল সাফারি পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, এদেশে মোট ১ হাজার ৩১৪ প্রকারের অর্কিড মেলে। কাজিরাঙ্গা অর্কিড পার্কে প্রায় ৮৫০ অর্কিডের প্রজাতি রয়েছে। প্রায় সমপরিমাণ দেশি অর্কিড থাকবে বেঙ্গল সাফারি পার্কে। এর পাশাপাশি সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া থেকেও অর্কিডের বিভিন্ন প্রজাতি আনা হবে এখানে। প্রথম ধাপে দু’একর জমিতে অর্কিডের পার্ক করা হবে। তারপর নিয়ম অনুযায়ী আয়তন বাড়ানো হবে পার্কের। পাশাপাশি সরীসৃপ পার্কে থাকবে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, কুমির, সরীসৃপ। প্রায় ৮০ প্রজাতির সাপ থাকবে সাফারিতে। এছাড়াও গোসাপ, লিজার্ড প্রজাতির প্রায় কুড়িটি প্রাণীর থাকার কথা রয়েছে। চেন্নাই-সহ অন্যান্য রাজ্য থেকে আনা হবে সাপগুলি। এছাড়াও আহত বা অসুস্থ সাপের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনেরও ব্যবস্থা হবে এই সাফারি পার্কে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement