Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
গনগনি

জানেন, এ বাংলাতেই রয়েছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন? কম খরচে ঘুরে আসতেই পারেন

কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন, জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০১৯, ০০:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৩০, ২০১৯, ০০:৩৫

options
link
জানেন, এ বাংলাতেই রয়েছে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন? কম খরচে ঘুরে আসতেই পারেন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুরতে যাঁরা ভালবাসেন, তাঁদের কাছে আকর্ষণীয় জায়গা গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন। কিন্তু সে তো সেই আমেরিকায়। এর জন্য পকেটে জোর থাকা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সবসময় সবার কাছে তো আর সেই সুযোগ থাকে না। অতএব পকেটের কারণেই ট্রিপ কাটছাঁট করতে হয়। তাই মার্কিন মুলুকের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন না হয় না হোক, পশ্চিমবঙ্গের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে যাওয়া তো যেতেই পারে।

জায়গার নাম গনগনি। পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা থেকে কিছুটা দূরত্বেই এই জায়গাটি। কলরাডোর বদলে এখানে রয়েছে শিলাই নদী। গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের মতো না হলেও গনগনির বিস্তার কিছু কম নয়। অন্তত উইকএন্ডে যেসব বাঙালিরা দিঘা -পুরী-দার্জিলিংয়ের বাইরে খুব একটা বিকল্প খুঁজে পান না, তাদের জন্য নতুন গন্তব্য হতেই পারে গনগনি। ভূমিক্ষয় করতে করতে শিলাই এই জায়গাকে একটি অসাধারণ রূপ দিয়েছে। একদিকে লালমাটি, অন্যদিকে সান্ত শিলাবতী; সব মিলিয়ে গনগনির রূপ একবার দেখলে জীবনে ভোলার নয়। তিন ঋতুতে এর সৌন্দর্য তিনরকম। তপ্ত গ্রীষ্মে শিলাইয়ের বুক চিরে হেঁটে যাওয়া যায়। বর্ষায় শান্ত শিলাবতী হয়ে ওঠে স্রোতস্বিনী। তবে সবচেয়ে ভাল শীতে। এই সময় গনগনি যেন পূর্ণযৌবনা।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: সোনমার্গে পড়ছে বরফ, পুলওয়ামার আতঙ্ক কাটিয়ে বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা ]

এই গনগনিকে ঘিরে রয়েছে এক মহাভারতের উপাখ্যান। বলা হয়, পাণ্ডবরা নাকি তাঁদের অজ্ঞাতবাসের সময় এখানে এসেছিল। এখানেই হয় ভীম আর বক রাক্ষসের সেই বিখ্যাত যুদ্ধ। এই ভয়ানক যুদ্ধের জন্যই নাকি গনগনিতে ক্যানিয়নের সৃষ্টি। তবে লোককথার পাশাপাশি জায়গাটি ঘরে ইতিহাসও রয়েছে। চুয়াড় বিদ্রোহের সময় গনগনির শালবনে গোরিলা যুদ্ধ শিখেছিলেন অচল সিংহ তাঁর দল। ইংরেজরা তাদের দমন করতে জ্বালিয়ে দিয়েছিল গোটা শালবন। তবু দমানো যায়নি অচলকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বগড়ির রাজা ছত্র সিংহ ধরিয়ে দেন অচলদের। এই গনগনির মাঠেই নাকি তাঁদের ফাঁসি হয়েছিল।

কীভাবে যাবেন?

হাওড়া থেকে ট্রেনে গড়বেতা। সেখান থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার গেলেই গনগনি। এখানে যাওয়া যায় সড়কপথেও। ধর্মতলা থেকে বাসে চড়ে সোজা গড়বেতা।

কোথায় থাকবেন?

গনগনিতে থাকার কোনও জায়গা নেই। থাকতে হলে আপনাকে গড়বেতায় বন্দোবস্ত করতে হবে। এখানে রয়েছে একাধিক লজ, হোটেল ও হোম স্টে।

[ আরও পড়ুন: এই গরমে ছুটি কাটান রঙিন চাদরে মোড়া টিউলিপ গার্ডেনে ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.