BREAKING NEWS

৩১ আশ্বিন  ১৪২৮  সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

মেঘলা দিনে প্রকৃতির এই রূপ পরিবর্তনের সাক্ষী হয়েছেন?

Published by: Suparna Majumder |    Posted: July 27, 2018 5:36 pm|    Updated: July 27, 2018 7:09 pm

This monsoon take a short trip to Kaikhali and Jhargram

মেঘলা আকাশ। সিক্ত মাটি। ঠান্ডা হাওয়ার সঙ্গে যেন বৃষ্টি আলতো করে আদর করে দিয়ে যাচ্ছে। এমন সময় বাড়ি কতক্ষণ বসে থাকবেন? বরং বেরিয়ে পড়ুন মাতলার মাতলামি দেখতে। না হলে পৌঁছে যান ঝাড়গ্রামের লাল মাটিতে। অভিজ্ঞতা লিখছেন সোমনাথ লাহা।

কৈখালি

মাতলা আর নিমানিয়ার সঙ্গমে অবস্থিত কৈখালি। এখানে মাতলা সাগর অভিসারী। তাই তার বিস্তারও বিশাল। মাতলার আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকা নিমানিয়া যেন তাই একটু হলেও অভিমানী। এর ঢেউ নেই, পাড় ভাঙার কাজ নেই। নিতান্তই সাদামাটা। সাগরগামিনী নয়। তাই তার আত্মবিসর্জন ঘটেছে এই মাতলায়। নদীবাঁধের উপর ইট দিয়ে বাঁধানো পায়ে হাঁটার পথ। এক পশলা বা ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হলে ক্ষতি নেই। বরং উপভোগ করুন মাতলার রূপ পরিবর্তন। বর্ষায় যেন মাতলা তখন সত্যিই মাতাল।

কোথায় থাকবেন:

নিমপীঠ রামকৃষ্ণ আশ্রম পরিচালিত কৈখালি পর্যটন আবাস। রামকৃষ্ণ আশ্রমে আগে থেকে যোগাযোগ করতে হয়। যাওয়ার দিন আশ্রম থেকে কৈখালিতে থাকার অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হয়।

যোগাযোগের নম্বর: ০৩২১৮-২২৬০০১

কীভাবে যাবেন:

শিয়ালদহ থেকে ট্রেন ধরে জয়নগর-মজিলপুর। সেখান থেকে ট্রেকার, অটো বা ভ্যানে জামতলা হাট হয়ে কৈখালি। সড়ক পথে গড়িয়া-বারুইপুর-জয়নগর, মজিলপুর-নিমপীঠ হয়ে পৌঁছাতে পারেন কৈখালিতে।

[রামায়ণ এক্সপ্রেসের পর সুফি ও বুদ্ধিস্ট সার্কিট ভ্রমণে বিশেষ ব্যবস্থা রেলের]

ঝাড়গ্রাম

খড়গপুর পার হলেই বদলে যায় চিত্রপট। লাল হতে শুরু করে মাটির রং। একটি-দু’টি করে উঁকি মারতে শুরু করে শালগাছ। ছুটন্ত ট্রেন কীভাবে যে ঘন শালের জঙ্গলে ঢুকে পড়ে টেরই পাওয়া যায় না। একে একে পেরিয়ে যায় কলাইকুণ্ডা, খেমাশুলি, সরডিহা, বাঁশতলা। ট্রেন অবশেষে এসে থামে ঝাড়গ্রামে। শালের জঙ্গলে পরিবেষ্টিত এই ঝাড়গ্রামে এসে প্রথম দর্শনেই আপনি প্রেমে পড়তে বাধ্য। শহরকে এখানে খুঁজেও পাওয়া যায় না। ভরা বর্ষায় এর অপূর্ব রূপ। শালের জঙ্গল তখন ছাতার কাজ করে। ঘুরে আসতেই পারেন জামবনি চিল্কিগড়-গিধনি-বেলপাহাড়ি-কাঁকড়াঝোর-ঘাঘরা-তারাফেনি।

কোথায় থাকবেন:

ঝাড়গ্রামে থাকার জায়গার কোনও অভাব নেই। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি টুরিস্ট লজ বুক করতে পারেন অনলাইনে https://www.wbtdcl.com ওয়েবসাইটে।

এছাড়াও রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের ঝাড়গ্রাম প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র। 

কীভাবে যাবেন:

হাওড়া থেকে মোট ৯টি ট্রেনে ঝাড়গ্রামে পৌঁছানো যায়। এর মধ্যে রোজকার ইস্পাত এক্সপ্রেস, স্টিল এক্সপ্রেস ও দ্বিসাপ্তাহিক লালমাটি এক্সপ্রেস উল্লেখযোগ্য।

[গভীর অরণ্যে রোমাঞ্চ-সফর, গজলডোবা ট্যুরিজম সার্কিটে বাইসাইকেল সাফারি]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement