১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমান সময়ে উন্নয়নের হাত ধরে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে হরিয়ানা৷ গ্রাম, কৃষি ইত্যাদিকে ছাড়িয়ে শিল্পকে কেন্দ্র করে হরিয়ানার বেশ কিছু শহর হয়ে উঠেছে রীতিমতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব৷ হরিয়ানা বলতেই এখন মনে পড়ে গুরুগ্রাম, শিল্প এবং অগ্রগতি৷ কিন্তু এই উন্নয়ন সমৃদ্ধ রাজ্যে এখনও প্রকৃতি তার নিজের মতোই মেলে ধরেছে নিজের সৌন্দর্য৷ এখনও রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রকৃতির কোলে বেশ কিছুটা আনন্দঘন মুহূর্ত কাটিয়ে আসা যায়৷ হরিয়ানার এমন দু’টি জায়গার খোঁজই রইল আজকের প্রতিবেদনে৷

সোহনা:

14233207_1787779731504388_3625378926458920186_n

শোনা যেত, এই অঞ্চলের বালিতে সোনার খোঁজ পাওয়া যেত একসময়৷ আর সেই জন্য এই অঞ্চলের নাম সোহনা৷ গুরুগ্রামের এই সোহনা এমনিতে ছিমছাম একটি শহর হলেও এই শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মন কাড়ে সহজেই৷ তথাকথিত শহুরে হালচাল এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে এখনও ছুঁতে পারেনি৷ সুন্দর উইকেন্ড কাটাতে সোহনায় পৌঁছে গেলে সেখানকার বিখ্যাত উষ্ণ প্রস্রবণ দেখে আসতে পারেন৷ পাশাপাশি এই অঞ্চলের প্রাচীণ শিবমন্দিরও এই অঞ্চলের একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান৷

গুরুগ্রাম থেকে মাত্র ২৪ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই শহর পর্যটকদের জন্য অল্প সময়ের ছুটি কাটানোর জন্য মন্দ নয়৷

যমুনানগর:

forest

শিবালিক পর্বতের কোলে অবস্থিত এই যমুনানগরের আগের নাম জগধ্রি৷ হরিয়ানার এই অঞ্চলটিকে ট্যুরিস্ট স্পট হিসাবে সাজিয়ে তুলতে বিশেষভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ হিমাচলপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের সীমান্তে অবস্থিত এই অঞ্চলটির অন্যতম প্রধাণ দর্শনীয় অঞ্চল হল কালেসর ন্যাশনাল পার্ক৷ সবুজ প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর জন্য এই অঞ্চল যেন আদর্শ৷

তাই এবার আর চিন্তা নেই৷ কর্মসূত্রে গুরুগ্রামে গেলেও, পরিবেশের সঙ্গে সময় কাটানোর সুন্দর সুযোগ মিলবে৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং