Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Women not Allowed

বিশ্বের এই ছ’টি জায়গায় মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ! তালিকায় ভারতের দুই মন্দিরও

জেনে নিন কী কারণে এই সব জায়গায় মহিলাদের ঢুকতে দেওয়া হয় না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২২, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২২, ২১:১৩

options
link
বিশ্বের এই ছ’টি জায়গায় মহিলাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ! তালিকায় ভারতের দুই মন্দিরও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই বিশ্ব চরাচরে নারীশক্তির জয়গান গাওয়া হয় বটে, তবে এমন কিছু জায়গা রয়েছে যেখানে মহিলাদের এখনও যাওয়ার অনুমতি নেই। এমনই একটি জায়গা রয়েছে হরিয়ানায়। 

হরিয়ানার পেহওয়া এলাকায় রয়েছে কার্তিকের মন্দির (Kartikeya Temple)। শোনা যায়, এই মন্দিরের প্রতিমা যিশুখ্রিস্টের জন্মেরও আগে তৈরি। কথিত আছে, এই মন্দিরে একবার ধ্যানে বসেছিলেন কার্তিক। তাঁর সেই ধ্যান ভঙ্গ করতে অপ্সরাকে পাঠানো হয়েছিল। ক্রুদ্ধ হয়ে অপ্সরাকে পাথরে পরিণত হওয়ার শাপ দেন কার্তিক। তারপর থেকেই মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Kartikeya Temple

কেরলের শবরীমালা (Sabarimala) মন্দিরের কাহিনি অনেকেরই জানা। মন্দিরটি হিন্দু দেবতা আয়াপ্পানের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। শোনা যায়, এই আয়াপ্পান শিব ও মোহিনীর (বিষ্ণুর নারী অবতার) পুত্র এবং ঘোরতর ব্রহ্মচারী। পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভে অবস্থিত এই মন্দিরে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্তরা যান। তবে ১০ থেকে ৫০ বছরের মহিলাদের প্রবেশের অনুমতি ছিল না। তবে ২০১৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি নিয়ে দুই মহিলা পুলিশি নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মন্দিরে প্রবেশ করেন। তারপর প্রায় ঘণ্টাখানেক মন্দির শুদ্ধ করার কাজ করা হয়।

Sabarimala temple

[আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমে ‘ডেস্টিনেশন’ পাহাড়, রইল একগুচ্ছ অফবিট পর্যটন কেন্দ্রের ঠিকানা]

বিদেশেও এমন একাধিক জায়গা রয়েছে যেখানে মহিলারা প্রবেশ করতে পারেন না। এগুলির একটি আমেরিকার মেরিল্যান্ডে অবস্থিত। বার্নিং ট্রি ক্লাব (Burning Tree Club)। এটি এমন একটি গল্ফ ক্লাব যেখানে শুধু পুরুষরা যেতে পারেন এবং খেলতে পারেন। মার্কিন মুলুকের ধনী, প্রভাবশালী মানুষজনও এই ক্লাবে যান বলে খবর। ব্যতিক্রমী কোনও ঘটনা ঘটলে তবেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় মহিলাদের। তবে তা বিরল। 

Burning Tree Club

গ্রিসের মাউন্ট অ্যাথোসে (Mount Athos) যেতে গেলে পর্যটকদের পাসপোর্ট জমা রাখতে হয়। আর এখানে শুধু পুরুষদেরই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রায় হাজার বছর ধরেই এখানে মহিলাদের প্রবেশাধিকার নেই।

জাপানে অবস্থিত ওকিনোশিমা দ্বীপকে (Okinoshima Island) পবিত্র মানা হয়। এখানে নারীরা প্রবেশ করতে পারেন না। কারণ ঋতুস্রাবকে অপবিত্র বলে মনে করা হয়। এই দ্বীপ থেকে বের হতে গেলেও নাকি পুরোহিতদের অনুমতি নিতে হয়।

Okinoshima Island

জাপানের মাউন্ট ওমিন (Mount Omine) পর্বতেও মহিলাদের যাওয়ার অনুমতি নেই। নারা এলাকায় অবস্থিত এই পর্বতটির নাম আসলে মাউন্ট সানজো। তবে মাউন্ট ওমিন নামেই বেশি পরিচিত। পর্বতের উপরে ওমিনেসানজি মন্দির রয়েছে। যেখানে মেয়েদের প্রবেশাধিকার নেই। 

[আরও পড়ুন: আর শুধু জঙ্গল সাফারি নয়, এবার ডুয়ার্সের আকর্ষণ ছ্যাকা-সিদল-ঘুঙ্গি]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.