৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: বড়দিনে পর্যটকদের জন্য সান্তাক্লজের উপহার৷ ২৫ ডিসেম্বরের আগেই জয়চণ্ডী পাহাড়ের যুব আবাসের দরজা খুলছে৷ ২০১৫ সালে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরের পর্যটনক্ষেত্র জয়চণ্ডী পাহাড়ের এই যুব আবাসের উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তবে জলের ব্যবস্থা না থাকায় ওই আবাস চালু করা যাচ্ছিল না৷ তাই পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন ইন্দো-জার্মান জলপ্রকল্প থেকে পানীয় জলের ব্যবস্থা করেছে৷ রঘুনাথপুর শহরে আসা এই জল প্রকল্প থেকে পাইপলাইন বসিয়ে জয়চণ্ডী পাহাড়ে জল দেওয়া হবে৷ এই কাজে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ন’লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে৷

56_big

রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুরসভা পাইপলাইন বসানোর কাজে হাত দিয়েছে৷ রঘুনাথপুরের মহকুমাশাসক দেবময় চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমরা বড়দিনের আগেই জয়চণ্ডী পাহাড়ের যুব আবাস চালু করে দেব৷ এখানে যে জলের সমস্যা ছিল তা মিটে যাবে৷ রঘুনাথপুর শহরে আসা ইন্দো-জার্মান জল প্রকল্প থেকে পাইপ লাইন বসিয়ে এই আবাসে জল দেওয়া হবে৷”

‘হীরক রাজার দেশ’ জয়চণ্ডী পাহাড় রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে এখন প্রথম সারিতে৷ এই খাড়া পাহাড় জনপ্রিয় ট্রেকিং স্পট হলেও এখানে পর্যটকদের থাকার জায়গা ছিল না৷ সম্প্রতি পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন পর্যটন দফতরের অর্থে এখানে কটেজ তৈরি করে দেওয়ায় পর্যটকরা এখানে রাত কাটাতে পারছেন৷ তবে শীতের মরশুমে পর্যটকদের ভিড় ওই কটেজ সামলাতে পারে না৷ সেই কথা ভেবেই ও এই পাহাড়ের পর্যটনের প্রসারে যুব দফতর যুব আবাস তৈরি করে৷

untitled-1

প্রায় পাঁচ কোটি ২৮ লক্ষ টাকায় এই আবাস তৈরি হয়েছে৷ বাম আমলে এই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়৷ কিন্তু যে জায়গায় শিলান্যাস হয় সেখানে এই প্রকল্প গড়া হয়নি৷ প্রশাসন জয়চণ্ডী পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঝাঁ-চকচকে যুব আবাস তৈরি করেছে৷ পাহাড়ি কোলে এই আবাস চোখ টানছে সাধারণ মানুষের৷ চারতলা এই আবাসে ৫২টি ডবল বেড রুম রয়েছে৷ চার শয্যার ঘর রয়েছে বারোটি৷ আট শয্যার ডরমিটরি রয়েছে তিনটি৷ এ ছাড়া কিচেন-ডাইনিং আছে৷ এই যুব আবাস পর্যটকদের পাশাপাশি বিয়ে বাড়িতে ভাড়া দেওয়ার জন্য ম্যারেজ হল রয়েছে৷ এক একরের চেয়ে কিছুটা কম জমিতে প্রায় দু’শো জন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে এই যুব আবাসে৷

এই আবাস নির্মাণের পর দু’টি গভীর নলকূপ বসিয়ে প্রশাসন জল না পাওয়ায় চিন্তায় পড়ে যায় যুব দফতর৷ তার পর ইন্দো-জার্মান জলপ্রকল্প থেকেই পানীয় জল আনার সিদ্ধান্ত নেয়৷ ওই আবাস জেলার অন্যান্য যুব আবাসের মতোই মৌলালি যুব কেন্দ্র থেকে বুকিং হবে৷ পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের আশা এই যুব আবাস চালু হলে জয়চণ্ডী পাহাড়ে আরও বেশি পর্যটক আসবেন৷

56737476

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং