×

৬ চৈত্র  ১৪২৫  শুক্রবার ২২ মার্চ ২০১৯   |   শুভ দোলযাত্রা।

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৬ চৈত্র  ১৪২৫  শুক্রবার ২২ মার্চ ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘুম থেকে উঠে হোক কিংবা কাজের ফাঁকে বা ধরুন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, আপনি যে পরিস্থিতিতেই থাকুন না কেন চা সব সময়ই আপনাকে সঙ্গ দিতে পারে৷ কাজের চাপে ক্লান্তি মেটাতে কিংবা আলস্যকে দূরে ঠেলে দেওয়ার জন্য চায়ের কাপে আলগা চুম্বন, খুব স্বাভাবিক৷ তাই বলে অন্যান্য খাবার না খেয়ে সারাদিন শুধু চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বাঁচার কথা ভাবতে পারেন আপনি? ভাবছেন তো, এ আবার কি অদ্ভুত প্রশ্ন? আপনি না পারলেও, এমনই অসাধ্যসাধন করেছেন ছত্তিশগড়ের এক মহিলা৷ শুধুমাত্র চায়ের কাপে হালকা ঠোঁটের ছোঁয়াতেই খিদে মিটিয়ে দিব্যি বাঁচছেন তিনি৷

[একটানা ১০০ ঘণ্টা কথা! বিশ্বরেকর্ড উত্তরপ্রদেশের যুবকের]

ছত্তিশগড়ের কোরিয়া জেলার বারাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা পিল্লি দেবী৷ ছোটবেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের থেকে একটু আলাদা তিনি৷ পড়াশোনার চেয়ে খেলার মাঠকেই আপন করে নিয়েছিলেন৷ বাইশ গজে ব্যাটে-বলে একসময় ঝড়ও তুলেছেন৷ পিল্লি তখন সবে ১১ বছর বয়সের গণ্ডি পেরিয়েছে৷ কোরিয়া জেলায় একটি টুর্নামেন্টে যোগ দিয়েছিলেন৷ বাড়ি ফেরার পর পিল্লির বাবা রতি রাম তাঁর মেয়ের মধ্যে অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করলেন৷ পিল্লির বাবা বলেন, ‘‘তারপর আর মেয়ে কোনওদিন খাবার খেতে চায়নি৷ শুধু চা খেতে শুরু করে৷’’ পিল্লির পরিজনরা জানান, আগে দিনে একবার দুধ চা-র সঙ্গে পাউরুটি অথবা বিস্কুট খেতেন৷ বর্তমানে লিকার চা খান৷ বিস্কুট কিংবা পাউরুটিতেও অরুচি৷ সেই খাবারও আর দাঁতে কাটেননা পিল্লি৷

[‘মন চুরি গিয়েছে, খুঁজে দিন’! যুবকের অভিযোগে হতবাক পুলিশ অফিসাররা]

সেদিনের বছর ১১-র ছোট্ট পিল্লি আজ জীবনের ৪৪ টি বসন্ত পার করেছেন৷ গত ৩০ বছর ধরে ব্যতিক্রমী পিল্লিই যেন বারাদিয়া গ্রামের টক অফ দ্য টাউন হয়ে গিয়েছে৷ অনেকেরই মতে, পিল্লি নাকি ভয়ানক কোনও অসুখে ভুগছেন৷ তাই এমন নিয়মের উলটো স্রোতে জীবন কাটছে তাঁর৷ কিন্তু মহিলার ভাই বিহারীলাল রাজভাদের বলেন, ‘‘বহুবার দিদিকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে৷ চিকিৎসকরা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করেছেন কোনও অসুস্থতাই ধরে পরেনি৷ বরং এক্কেবারে সুস্থ রয়েছে দিদি৷’’

[‘স্নেক প্রিন্টেড’ পোশাক পরে এ কী পরিণতি হল মহিলার!]

পিল্লির কথা শুনে যে শুধু গ্রামবাসীরাই অবাক তা নয়৷ চিকিৎসকরাও অবাক হয়ে গিয়েছেন৷ তাঁদের মতে, এভাবে কারও পক্ষে বেশিদিন বাঁচা অসম্ভব৷ কোন শক্তির জোরে পিল্লি সুস্থভাবে বেঁচে রয়েছেন, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরাও৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং