×

৪ চৈত্র  ১৪২৫  বুধবার ২০ মার্চ ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোন পশুর প্রভুভক্তি বেশি, সেই তালিকায় একেবারে প্রথমেই থাকে কুকুরের নাম৷ কিন্তু গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রভুভক্তির নিরিখে সারমেয়কে টেক্কা দিল একটি উট৷ প্রভুর মৃত্যুর পর থেকে অবসাদে ভুগছে প্রাণীটি৷ সেই শোকে ছেড়ে দিয়েছে খাওয়াদাওয়াও৷

[রাতারাতি উধাও শতাব্দী প্রাচীন বটগাছ! দায়ের নিখোঁজ ডায়েরি]

গুজরাট পুলিশের সাব ইনস্পেক্টর ছিলেন শিবরাজ গাধভি৷ তাঁর প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয় ছিল পোষ্য উট৷ প্রতিদিন কাজে বেরোনোর আগে পোষ্যকে নিয়মমতো খাবার দিয়েও যেতেন ওই পুলিশ আধিকারিক৷ পোষ্য উটটিও তাঁর প্রভু ছাড়া অন্য কারও হাতেই খাওয়াদাওয়া পছন্দ করত না৷ গত ২৪ জানুয়ারি সকালে উটকে খাবার দিয়ে বাড়ি থেকে বেরোবেন বলে ঠিক করেছিলেন ওই পুলিশ আধিকারিক৷ পোষ্যকে খেতে দেওয়ার পরই বুকে যন্ত্রণা শুরু হয় তাঁর৷ যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন৷ প্রতি মিনিটে মিনিটে একটু একটু করে অসুস্থতা বাড়তে থাকে আধিকারিকের৷ খবর পেয়ে স্থানীয়রা দৌড়ে আসেন৷ তড়িঘড়ি অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত করা হয়৷ নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে৷ কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি৷ চিকিৎসকরা জানান হার্ট অ্যাটাকেই মারা গিয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক৷

[ক্যানসার আক্রান্তের ব্রাইডাল ফটোশুটে মশগুল নেটদুনিয়া]

জাকাউ থানার আধিকারিক ভি কে খান্ত বলেন,‘‘প্রতিদিন সীমান্ত এলাকায় গিয়ে পাহারা দেওয়াই কাজ ছিল ওই সাব ইনস্পেক্টরের৷ তাঁর মৃত্যুর আগে গুজরাটে কড়া সতর্কতা জারি থাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছিল৷ তাই ইদানীং বেশ পরিশ্রম হচ্ছিল ওই পুলিশ আধিকারিকের৷ তার জেরে শরীর ভাল যাচ্ছিল না সাব ইনস্পেক্টরের৷ তবে এমন ঘটনা যে ঘটতে পারে তা ভাবতে পারিনি আমরা৷’’ পুলিশকর্মীর মৃত্যুর পর থেকে সাব ইনস্পেক্টরের পোষ্য উটটি আপাতত পুলিশি হেফাজতেই রয়েছে৷ প্রতিদিন নিয়ম করে খাবার, জল দেওয়া হচ্ছে তাকে৷ কিন্তু প্রভুকে খুঁজে না পেয়ে দিশাহারা অবলা প্রাণী৷ এক দানা খাবারও মুখে তুলছে না সে৷ প্রাণীটির প্রভুভক্তি অবাক করেছে পুলিশ আধিকারিকদের৷ উটটিকে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং