Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬

OMG! দিব্যি খাওয়া যাচ্ছে ১০৭ বছরের পুরনো এই কেক!

কোথায় পাওয়া গেল সেই কেক?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৩:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৩:২১

options
link
OMG! দিব্যি খাওয়া যাচ্ছে ১০৭ বছরের পুরনো এই কেক! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খিদে পেলে অনেকেই বেছে নেন বিভিন্ন ধরনের ‘ফ্রুট কেক’। তবে ভেজালের দুনিয়ায় অনেকসময় দেখা যায়, যা কিনেছেন তা একেবারেই খাওয়ার অযোগ্য। কিন্তু জানেন কি ১০৭ বছরের পুরানো এমন একটি ফ্রুট কেক পাওয়া গিয়েছে, যাতে এখনও পচন ধরেনি? শুধু তাই নয়, পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, কেকটি খাওয়ারও যোগ্য। শুনতে অবাক লাগলেও আন্টার্কটিকার বরফে পাওয়া গিয়েছে এমনই একটি কেক। বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন সেটি এখনও খাওয়ার যোগ্য।

[৭ তলা থেকে মাটিতে আছড়ে পড়ল BMW, চালকের কী হল জানেন?]

জানা গিয়েছে, কেকটি প্রস্তুত করেছিল হান্টলি এবং পামার্স বিস্কুট কোম্পানি। সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের আন্টার্কটিক হেরিটেজ ট্রাস্ট নামে একটি দল কাপে আদেরেতে অভিযানে গিয়েছিল। সেখানেই তাঁরা একটি পরিত্যক্ত জায়গায় প্রায় ১৫০০ পুরনো সামগ্রী খুঁজে পেয়েছে। যার মধ্যে ছিল ওই কেকটিও। বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধান করে দেখা গিয়েছে, ১৯১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে একদল অভিযাত্রী ওই স্থানে গিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছে, তাঁরাই ওই জিনিসগুলি ফেলে গিয়েছেন।

Advertisement

[উত্তর কোরিয়ার পর এবার ভেনেজুয়েলাতেও হামলার হুমকি ট্রাম্পের]

আন্টার্কটিকা হেরিটেজ ট্রাস্ট দলের ম্যানেজার বলেন, ‘আমরা এখানে বেশ কিছু পুরনো জিনিস পেয়েছি। তার মধ্যেই এই ফ্রুট কেকটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত আনন্দের। আন্টার্কটিকায় এই ধরনের খাবার অত্যন্ত জনপ্রিয়। এখনও অনেকেই চটজলদি শক্তি পেতে খাবার হিসেবে এই ধরনেরই কেকই খান।’ ইতিমধ্যে যে টিনের কৌটোতে এই কেকটি রাখা হয়েছে, সেটি পরিস্কার করে কেকটিকে জীবাণুমুক্ত রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে এখনও কেউ সেটি খেয়ে দেখেননি। তবে খাওয়া যে যায় তা স্বীকার করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

[আন্টার্কটিকায় বরফের চাঁই-এর তলায় জ্বলছে ৯১টি আগ্নেয়গিরি!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.