ফ্রিজ আছে, খাবার ঠান্ডা ও টাটকা থাকে কিন্তু লাগে না বিদ্যুৎ! ফলে আসে না বিলও। শুনে অবাক লাগলেও যুগ যুগ ধরে এই দেশি ফ্রিজের ব্যবহার চলছে রাজস্থানে। ফলে বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর আদতে কী, তা জানেই না সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামের অনেকেই।

আরও পড়ুন:
দেশি ফ্রিজের প্রচলন শুরু হয়েছিল কমপক্ষে ১০০ বছর আগে। সেই সময় বিদ্যুৎ ছিল না। এদিকে রাজস্থান মানেই চড়া গরম। তাপমাত্রা পৌঁছয় ৫০ ডিগ্রিতেও। গরমেও খাবার ঠান্ডা ও টাটকা রাখতে প্রাকৃতিক উপায়ে ফ্রিজ তৈরি করে ফেলেন স্থানীয়রা। যা আধুনিক ফ্রিজের থেকে কোনও অংশে কম নয়। রুটি রাখতে তা দীর্ঘসময় থাকতে নরম। দুধ-দই থেকে সবজি, ফলমূল, কোনওকিছুই সহজে নষ্ট হয় না। তবে এটি দেখতে কুঁড়ে ঘরের মতো। যার উপরে ঢাকা থাকে বিশেষ ঘাষ দিয়ে। নিশ্চয়ই ভাবছেন এই ফ্রিজ তৈরিতে কী কী লাগে? উত্তর হল মাটি, ঘাস আর গোবর। যদিও সময়ের নিয়মে হারাতে বসেছিল এই দেশি ফ্রিজ। সম্প্রতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে এটি।
কিন্তু কীভাবে কাজ করে এই ফ্রিজ? জানা যাচ্ছে, মাটির তৈরি ঘরের দেওয়ালে সুক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। উপরের ঘাসের ছাদ আটকে দেয় রোদ। বাষ্পীভবনের ফলে এই কুঁড়ে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেকটা কম থাকে। ফলে খরচ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ খাবার থাকে ঠান্ডা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে এর ব্যবহারে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হয় না। ফলে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে এই দেশি ফ্রিজের প্রতি তৈরি হচ্ছে আকর্ষণ।
সর্বশেষ খবর
-
এমবাপে ম্যাজিকেই বাজিমাত, সেনেগালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল ফ্রান্স
-
প্রথমবার নেহরু টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন, হকিতে ভারত জয় পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের
-
হকার উচ্ছেদ ঘিরে কৃষ্ণনগর স্টেশনে ধুন্ধুমার! পুলিশের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতি সিটু, এসইউসিআই কর্মীদের
-
‘ভারতীয়দেরও প্রাণ গিয়েছে’, জি-৭ বৈঠকে ট্রাম্পের সামনেই নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে উষ্মা মোদির
-
সরকারি কাজেই আধারের অপব্যবহার? এবার কেন্দ্র ও UIDAI-কে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের