৩০ ভাদ্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৩ কোটি দেবতার আরাধনা হয় এই দেশে৷ কোনও মন্দিরে পূজিত হন মহাদেব তো কোথাও আরাধ্য দেবী দুর্গা৷ কিন্তু আরও একটু গভীরে গেলে দেখা যাবে সংখ্যাটা ৩৩ কোটি কিন্তু নয়, আরও বেশি৷ তার মধ্যে অনেক মন্দিরেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজির হন ভক্তরা৷ যেখানে দেবতার রূপও অবাক করে সাধারণকে৷ এই যেমন তেলেঙ্গানায় রয়েছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর মন্দির৷ আবার খাস কলকাতাতেই মন্দির তৈরি করে পূজিত হন কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন৷ এবার খোঁজ মিলল মহাত্মা গান্ধীর মন্দিরের৷

[আরও পড়ুন: রাখি পূর্ণিমাতেই জেগে ওঠে নদীচর, একদিনের জন্য নতুন জায়গায় উৎসবে মাতেন মানুষ]

কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালুরুর গারোদি এলাকায় রয়েছে গান্ধীজির মন্দির৷ মন্দিরের ভিতর অধিষ্ঠিত তুষারশুভ্র গান্ধীর মূর্তি৷ হিংসা দূরে রেখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং শান্তি কামনায় এই মন্দিরে পুজো দিয়ে থাকেন ভক্তরা৷ তবে মজার বিষয় হল এই মন্দিরের পুজোর প্রসাদ৷ সাধারণত ফল, মিষ্টি দিয়েই ঈশ্বরের পুজো করে থাকেন ভক্তরা৷ কিন্তু এখানে জাতির জনককে দেওয়া হয় চা, কফি আর কলা৷ শ্রী ব্রহ্ম বৈদরকালা ক্ষেত্রের পুরোহিত সারাদিনে তিনবার প্রসাদি হিসেবে এসবই দিয়ে থাকেন মহাত্মাকে৷ এক ভক্ত প্রকাশ গারোদি জানান, স্বাধীনতার পর ১৯৪৮ সালে গান্ধীজির জন্য একটি আলাদা মন্দির তৈরি হয়েছিল৷ ২০০৬ সালে নতুন করে গান্ধীজির একটি মূর্তি তৈরি হয়৷ প্রায় প্রতিদিনই ভক্তদের ঢল নামে এখানে৷ স্থানীয় তরুণরা তাঁর থেকে অনুপ্রাণিত হন৷ ভক্তরাই পালা করে দু’সপ্তাহ অন্তর একবার করে মন্দির চত্বর পরিষ্কার করেন৷ গান্ধীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বচ্ছতার বার্তা দিতেই এই উদ্যোগ৷

তবে শুধু গান্ধীজিরই নয়, কর্ণাটকের রামনগর জেলায় সারমেয়দের জন্যও তৈরি হয়েছে একটি মন্দির৷ যেখানে সারমেয়দের মূর্তিতে রীতিমতো ফুল-মালা দিয়ে পুজো করা হয়৷ বিহারে আবার রয়েছে মাস্টার ব্লাস্টার শচীন তেণ্ডুলকরের মূর্তি৷ ভারতবর্ষের এমন বৈচিত্র্য নিঃসন্দেহে মুগ্ধ হওয়ার মতোই৷

[আরও পড়ুন: মগডালেই খাওয়া-ঘুম-ধ্যান! ‘বাঁদর বাবা’ই এখন হিরো উত্তরপ্রদেশে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং