Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
ইউএফও

যেন ভিনগ্রহীদের রাজত্ব! তাইওয়ানের ‘ভৌতিক’ শহরের সব বাড়ি UFO-এর মতো

৪০ বছর আগেই শহরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৯, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৯, ১৬:২৭

options
link
যেন ভিনগ্রহীদের রাজত্ব! তাইওয়ানের ‘ভৌতিক’ শহরের সব বাড়ি UFO-এর মতো zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একঝলকে দেখলে বিশ্বাসই হবে না আপনি পৃথিবীতে আছেন। এখানকার সবই যেন আজব। ঘরবাড়ি আছে, কিন্তু এমন সব নকশা যা আপনি আগে কখনও দেখেননি। ধরুন কোনও একটি বাড়ি গোলাকার, আবার কোনটি চৌকোর মতো। সবই যেন ভৌতিক। কিন্তু, এই বাড়িগুলির একটা বিশেষত্ব হল সবগুলিই দেখতে কাল্পনিক UFO-এর মতো। ছোটবেলায় এলিয়েনদের গল্প শোনা, বা কল্পবিজ্ঞানের গল্পে এলিয়েন বা ভিনগ্রহী প্রাণীদের মহাকাশযানের যে বর্ণনা শোনা যায়, এখানকার বাড়িগুলি ঠিক তেমনই। কথা হচ্ছে তাইওয়ানের ওয়ানলি শহরের। যেখানে জনমানুষ নেই। কিন্তু, রয়েছে একটা গা ছমছমে ভাব। আস্ত একটা শহর যেন ভিনগ্রহীদের আড্ডা!

[আরও পড়ুন: প্লেট থেকে লাফিয়ে উঠল মুরগির ঠ্যাং! ভাইরাল ভিডিও দেখে হতবাক নেটিজেনরা]

তাইওয়ানের এই শহরটিতে মূলত দু’ধরনের বাড়ি আছে। একটা ডিম্বাকৃতি ইউএফও-এর মতো। অপরটা, খানিকটা চৌকোর মতো। জানলা-দরজা সবই যেন আজব। দূর থেকে দেখলে কাল্পনিক ইউএফও মনে হতে বাধ্য। খুব কম খরচে বাড়িগুলি তৈরি হলেও দেখতে অতীব সুন্দর। মজার কথা হল, এই বাড়িগুলির ভিতরে সমস্ত আধুনিক সুযোগসুবিধা রয়েছে। এর মধ্যে চাইলেই বেশ কিছু বাড়িতে মানুষ বাস করতে পারেন। শোনা যায়, ফিনল্যান্ডের স্থপতী ম্যাট সুরোনেন এই শহরটির নকশা করেছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অনলাইন শপিং সাইট থেকে এল জন্মদিনের কেকও! স্বামীর কীর্তিতে অবাক স্ত্রী]

কিন্তু, সত্তরের দশকেই শহরটি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। এই শহরে কেউ বসবাস করেন না আর। কিন্তু, কেন শহর থেকে হঠাৎ বাসিন্দারা উধাও হয়ে গেলেন তা নিয়ে কোনও তথ্য নেই। কেউ বলেন, এই শহরটিকে সাজানো হচ্ছিল সরকারি উদ্যোগেই। কিন্তু, হঠাৎ মন্দার ফলে বিশ বাঁও জলে পড়ে সেই প্রকল্প। আশেপাশের শহরগুলি জীবনযাত্রার মান হঠাৎ উন্নত হয়ে যাওয়ায়, শহরের বাসিন্দারা এলাকা ছেড়ে চলে যান। আবার কেউ বলে সাতের দশকে হঠাৎই শহরে দুর্ঘটনা আর আত্মহত্যার পরিমাণ রহস্যজনকভাবে বেড়ে যায়। তারপরই শহরটি পরিণত হয় ভৌতিক শহরে। বাধ্য হয়েই শহর ছাড়েন স্থানীয়রা। কারণ যাই হোক, সেই সাতের দশক থেকেই ভৌতিক শহর হিসেবেই থেকে গিয়েছে। অন্য প্রাণীর দেখা মিললেও মানুষের সাক্ষাৎ পাওয়া যায় না এই শহরে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.