সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওরা বরফের রাজ্যের বাসিন্দা। ভারতের মতো উষ্ণ দেশে এদের দেখা পাওয়া বিরল ঘটনা। চিড়িয়াখানা বা সংগ্রহশালায় কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি করে রাখা যেতে পারে দু’পায়ে হাঁটা পাখিগুলিকে। কথা হচ্ছে পেঙ্গুইনের। এদেশের মাটিতে পেঙ্গুইনের জন্ম হল, একথা ভাবাও দুষ্কর। কিন্তু এমনটাই হল মুম্বইয়ের বাইকুল্লা চিড়িয়াখানায়। তাও আবার স্বাধীনতা দিবসের রাতে। বৃহস্পতিবার এ খবর জানানো হয়েছে খোদ বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের তরফে।
[অবাক কাণ্ড! অসুস্থ মালকিনকে অ্যাম্বুল্যান্সে হাসপাতাল নিয়ে গেল সারমেয়]
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, গতকাল রাত ৮.০২ মিনিটে জন্ম হয়েছে পেঙ্গুইনটির। শাবকটি পুরোপুরি সুস্থ, এমনকি তার মা তাকে খাবার খাওয়া শেখানোর চেষ্টাও শুরু করে দিয়েছে। এমনিতে ভারতের পরিবেশে পেঙ্গুইনের বসবাসের উপযুক্ত নয়। তাই পেঙ্গুইন শাবকের জন্মকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে বাইকুল্লা জু কর্তৃপক্ষ। বুধবার যে পেঙ্গুইন শাবকটির জন্ম হয়েছে সেটি হামবোল্ট প্রজাতির। এদের সাধারণত দেখা যায় পেরু ও চিলির সমুদ্র উপকূলে।
[১৯৫টি শহরের নাম, শেক্সপিয়রের কবিতা অনর্গল বলতে পারে এই বিস্ময় বালিকা!]
২০১৬ সালে মুম্বইয়ের বাইকুল্লা চিড়িয়াখানায় মোট আটটি পেঙ্গুইন আনা হয়েছিল বিদেশ থেকে। এর আগেও কয়েকবার ব্রিডিং করানো চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সফলতা আসেনি। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এদের বসবাসের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় ১৭০০ বর্গফুটের ঘরে এদের রাখা হত। ঘরের তাপমাত্রা সবসময় ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে হত। নিয়মিত জলের পরীক্ষা করা হত। টাটকা সামুদ্রিক মাছ খাওয়ানো হতে। এর আগে একাধিকবার একটি পুরুষ ও একটি মহিলা পেঙ্গুইনের সংগম করানো হয়েছিল, কিন্তু তাতেও ডিম পাড়েনি মহিলা পেঙ্গুইনটি। অবশেষে প্রায় ৪০ দিন আগে অর্থাৎ জুলাই মাসে প্রথম ডিম দেয় একটি পেঙ্গুইন। সেই সময় থেকে লাগাতার পর্যবেক্ষণে রাখা হয় ডিমটিকে। এমনিতেই পেঙ্গুইন কলোনি বেশ আকর্ষণ করে দর্শকদের। চিড়িয়াখানার রোজগারের একটা মোটা অংশ আসে এদের সৌজন্যেই। নতুন শাবকের আগমন আরও দর্শক টানবে বলে আশাবাদী চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!