Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মহাকাশে পাড়ি দিতে প্রস্তুত ভারত, প্রকাশ্যে স্পেস স্যুট ও ক্রু মডিউল

ইসরোর ‘গগনযান’ যাত্রা করবে তার গন্তব্য অভিমুখে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৯, ১৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৯, ১৯:৩১

options
link
মহাকাশে পাড়ি দিতে প্রস্তুত ভারত, প্রকাশ্যে স্পেস স্যুট ও ক্রু মডিউল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ভারত। ভারতীয় নভশ্চররা মহাশূন্যে হাঁটবেন, চলবেন আবার গবেষণাও করবেন। কিন্তু পরবেনটা কী? কেন? স্যুট!

[ধারা ৩৫এ-র পক্ষে সওয়াল, জম্মু-কাশ্মীরের পুরভোট বয়কট এসপি-পিডিপির]

Advertisement

আজ্ঞে হ্যাঁ। স্যুট। তবে যেমন তেমন নয়। উজ্জ্বল কমলা বর্ণের। তাতে নীল রঙের ডিটেলিং। বিস্তৃত গলা থেকে শুরু করে একেবারে পা পর্যন্ত। বাম বুকের নিচে আটকানো ভারতীয় পতাকা। তার একটু উপরে অশোক চক্রের ছবি। স্যুটের সঙ্গে আটকানো হয়েছে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডারও। যাতে মহাশূন্যে টানা ৬০ মিনিট শ্বাস নিতে পারবেন কোনও নভশ্চর। ইতিমধ্যেই কেরলের তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে তৈরি হয়ে গিয়েছে এমন দু’খানা ‘স্পেশ্যাল’ স্যুট। টানা দু’বছর ধরে। প্রস্তুত হবে আরও একখানা। এই স্যুট পরেই আর মাত্র চার বছর পর তিন জন ভারতীয় নভশ্চর পাড়ি দেবেন মহাকাশে। ইসরোর ১০,০০০ কোটির ‘গগনযান’ যাত্রা করবে তার গন্তব্য অভিমুখে। ২০২২ সালে। সম্প্রতি ইসরোর সৌজন্যে বেঙ্গালুরুর ‘স্পেস এক্সপো’ প্রদর্শিত হল এই স্পেস স্যুট। সঙ্গে দেখানো হল মিশনের নতুন ক্রু মডিউল। মডিউলটির প্রোটোটাইপও পরীক্ষা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে এই মডিউলটিই বইবে মানুষের ভার। মহাকাশে মানুষ পাঠাতে এই মিশনে দেশের সব থেকে বেশি শক্তিশালী ‘জিএসএলভি মার্ক থ্রি’ রকেট ব্যবহার করবে ইসরো।

তা এই মিশনে নভশ্চররা পৌঁছাবেন কীভাবে? আবার ফিরবেনই বা কীভাবে?

তিন জন মহাকাশচারী ক্রু মডিউলের ক্যাপসুলে চেপে পাড়ি দেবেন। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরের কক্ষপথে পৌঁছাবেন তাঁরা। টেক অফের পর গন্তব্যে পৌঁছাতে ভারতীয় মহাকাশচারীদের লাগবে মাত্র ১৬ মিনিট। গন্তব্যে পা রাখামাত্রই ক্যাপসুলের অন্তঃস্থিত থার্মাল শিল্ডের জেরে (তাপীয় আবরণ) ক্যাপসুলটি কার্যত আগুনের গোলায় পরিণত হবে। কিন্তু তাতে এর ভিতরে থাকা মহাকাশচারীদের কোনও সমস্যা হবে না। কারণ ভিতরের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রির আশপাশেই থাকবে। প্রতি ৯০ মিনিটের ব্যবধানে ক্যাপসুলটি পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করবে। মহাকাশচারীরা ক্যাপসুলের জানলার ভিতর থেকে বাইরের সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে পারবেন। কাজ সেরে পৃথিবীতে ফেরার সময় ক্যাপসুলের লাগবে ৩৬ ঘণ্টা। এটি অবতরণ করবে আরব সাগরে। সেইসময় সাহায্যের জন্য ঘটনাস্থলে ‘স্ট্যান্ডবাই মোড’-এ থাকবে ভারতীয় নৌসেনা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী।

[সত্যিই কি মানস সরোবরে রাহুল গান্ধী? ছবি ও ভিডিও ঘিরে জল্পনা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.