Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

হেঁচকির জ্বালায় হাসপাতালে নববধূ, পণ্ড হল বউভাত

প্রাণঘাতী হতে পারে হেঁচকি, মত চিকিৎসকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৩:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৩:৩২

options
link
হেঁচকির জ্বালায় হাসপাতালে নববধূ, পণ্ড হল বউভাত zoom

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: সব ঠিকঠাক চলছিল। মাঝে ছন্দ কাটল নববধূর হেঁচকি। আর তাতেই হুলস্থূল অবস্থা বউভাতের আসরে। ভাত-খাসির মাংসর পাত ফেলে কেউ ছুটলেন বধূকে সামলাতে। কেউ আবার ঘরোয়া টোটকায় হেঁচকি কমানোর দাওয়াই দিলেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় আত্মীয়রা ফোন ঘোরালেন একে ওকে। যদিও তাতেও কোনও কাজ না দেওয়ায় অগত্যা হাসপাতালেই যেতে হল নববধূকে।

[আরও বিপাকে শামি, স্ত্রীর অভিযোগে ধর্ষণ ও খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করল পুলিশ]

Advertisement

জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের নিরঞ্জনপাঠ গ্রামের এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। হতবাক আমন্ত্রিতরা। ওই গ্রামেরই ছেলে কন্ঠেশ্বরের অধিকারীর সঙ্গে বিয়ে হয় প্রতিবেশী গ্রামের মেয়ে সুস্মিতা রায়ের। বউভাতের নেমন্তন্ন ছিল পাড়া-প্রতিবেশী থেকে আত্মীয়-পরিজনদের। ঘটা করেই হয়েছিল আয়োজন। সন্ধ্যে নামতেই বিয়ের আসরে সানাইয়ের সুর। রজনীগন্ধার গন্ধের সঙ্গে মিলেমিশে বিয়েবাড়ি চত্বরে ম ম করছিল খাসির মাংসের গন্ধ। একে একে আসা শুরু করেছিলেন পরিচিত-পরিজনরা। এমন পরিবেশে হঠাৎ ছন্দ কাটল হেঁচকির শব্দে। অতিথিদের সঙ্গে আলাপচারিতার মাঝে হেঁচকির পর হেঁচকিতে প্রাণ ওষ্ঠাগত অবস্থা নববধূর। ততক্ষণে কার্যত মাথায় উঠেছে বউভাত। নানা রকমের টোটকাতেও কাজের কাজ কিছু না হওয়ায় আর ঝুঁকি নেননি পাত্র কন্ঠেশ্বর অধিকারী। সোজা ধূপগুড়ি হাসপাতাল। নববধূর এই অবস্থার জেরে নমো নমো করে সারা হয় আয়োজন।

[কে আগে বাড়ি যাবে? দুই শিক্ষকের মারামারিতে হতবাক পড়ুয়ারা]

বেনারসি ও চন্দনের সাজ। নববধূকে এভাবে হাসপাতালে আনতে দেখে খানিকটা অবাকই হয়েছিলেন কর্তব্যরত কর্মীরা। সেই সময় ডিউটিতে ছিলেন ডাঃ কল্লোল কর। ওই চিকিৎসক জানান, হেঁচকি অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়ে ওঠে। হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই আর সময় নষ্ট করেননি ডাক্তারবাবু। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর দীর্ঘক্ষণ নববধূকে পর্যবেক্ষনে রাখা হয়। ওই বধূর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে তাঁর মাঝেমধ্যে হেঁচকি উঠত। তবে এতটা ভয়ঙ্কর অবস্থা কখনই হয়নি। বেশি রাতের দিকে হেঁচকি বন্ধ হলে সুস্মিতাকে নিয়ে বাড়ির পথে পা বাড়ান কন্ঠেশ্বর। ঘড়িতে তখন রাত সাড়ে বারোটা। ততক্ষণে ফাঁকা বউভাতের আসর।

[লুকিয়ে পরীক্ষা দিয়ে রেলের স্টেশন মাস্টার, স্ত্রীর কৃতিত্ব উদযাপনে স্বামী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.