Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Japan

মুঠো মুঠো চুল উঠে যাচ্ছে? এই মন্দিরে পুজো দিলেই মিলবে সুফল

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই মন্দিরটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
মুঠো মুঠো চুল উঠে যাচ্ছে? এই মন্দিরে পুজো দিলেই মিলবে সুফল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আপনি কি ভগবানে বিশ্বাসী? নিজের কিংবা পরিবারের সকলের উন্নতির আশায়, শ্রীবৃদ্ধিতে মাঝেমধ্যে নানা মন্দিরে যান? ভগবানের কাছে গিয়ে একমনে নানা সমস্য়ার কথা জানান? ভগবানকে একমনে চুল পড়ার সমস্যার কথা জানিয়েছেন কখনও? এমন সমস্যার কথা ভগবানকে জানিয়েছেন বলে মনে পড়ছে না তাই তো? অবাক হচ্ছেন? তবে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ভ্রূ কুঁচকোবেন না। কারণ, সত্যিই পৃথিবীতে রয়েছে এমন মন্দির। যেখানে গিয়ে প্রার্থনা করলেই নাকি স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পাওয়া যায়।

জাপানের মিকামি মন্দির সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ইনস্টাগ্রাম কিংবা ফেসবুকের মতো সোশাল মিডিয়ায় নজর রাখলেই দেখা যাচ্ছে এই মন্দির। যেখানে পুজো দিলেই নাকি চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এই মন্দিরে পুজো দেওয়ার ধরনও বেশ অন্যরকম। অন্যান্য মন্দিরের মতো এখানে পুজোর ডালা নিয়ে যেতে হয় না। তার পরিবর্তে সঙ্গে নিয়ে যেতে হয় একটি খাম। পুরোহিত পুণ্যার্থীর সামান্য চুল কেটে নেন। তা ওই খামে ভরে ভগবানকে নিবেদন করা হয়। আর তা দিয়ে ভগবানের কাছে ভালো চুল পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করতে হবে। তাতেই নাকি মিলবে সুফল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মিকামি মন্দির নিয়ে নানা লোককথা প্রচলিত। জানা গিয়েছে, জাপানের প্রথম কেশশিল্পী বা হেয়ার ড্রেসার ছিলেন ইউনিমেনোসুকে মাসাইউকি। তিনি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এই পেশায় আসেন। যদিও সে সময় তাঁকে নানা বাঁকা কথা সহ্য করতে হয়। তবে পরে একসময় তাঁর হাত ধরেই কেশশিল্প পেশা হিসাবে প্রতিষ্ঠা পায়। এখনও প্রতি মাসের ১৭ তারিখ জাপানের প্রত্যেক কেশশিল্পী কাজ করেন না। কেশশিল্পী বা হেয়ার ড্রেসার ছিলেন ইউনিমেনোসুকে মাসাইউকিকে সম্মান জানাতে এই পদক্ষেপ। তাঁর নামে মিকামি মন্দিরকে উৎসর্গ করা হয়েছে। আর সে কারণে আজও এই মন্দিরে যান কেশশিল্পীরা। যাঁরা কেশশিল্প নিয়ে পড়াশোনা করছেন, তাঁরাও ওই মন্দিরে যান। আর যাঁরা চুল নিয়ে সমস্যায় জেরবার তাঁরা নাকি চেষ্টা করেন এই মন্দিরে যাওয়ার। সকলের বিশ্বাস, এই মন্দিরে পুজো দিলেই নাকি হবে পুণ্যলাভ। মিলবে সুফল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Shervin Abdolhamidi (@shervin_travels)

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.