×

৫ ফাল্গুন  ১৪২৫  সোমবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
নিউজলেটার

৫ ফাল্গুন  ১৪২৫  সোমবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু…’। আর এই বিশ্বাসের কারণেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব ওষুধপত্র দূরে সরিয়ে দিয়ে নিজেই ‘আবিষ্কার’ করলেন যন্ত্রণা প্রশমনের দাওয়াই। নিজের বীর্য নিজেই ঢোকান শরীরে। তাতে যন্ত্রণা কমেনি। কিন্তু ‘কমবে’, এই বিশ্বাসে প্রায় দেড় বছর ধরে এই টোটকাই ব্যবহার করছিলেন বছর তেত্রিশের এক যুবক।

সম্প্রতি একটি আইরিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই খবর। তারপর থেকে গোটা আয়ারল্যান্ডজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে চর্চা। কিন্তু যারা এই খবরে আশার আলো দেখেছিলেন, তাদের আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বলেছেন, এই ‘বিকল্প চিকিৎসা’ একেবারই ফলপ্রসূ নয়। ডাবলিনের একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খবরটি শুনে তাঁরা হতবাক। এই নিয়ে একটি রিপোর্টও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। নাম দিয়েছেন ‘’Semenly’ Harmless Back Pain: An Unusual Presentation of a Subcutaneous Abscess’। সেখানে তাঁরা লিখেছেন, এই প্রথম চিকিৎসার কাজে সিমেন ব্যবহার করার খবর সামনে এল। তাও আবার পিঠের ব্যথা কমাতে। কোনও এক ব্যক্তি তাঁর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে দিনের পর দিন নিজের শরীরে নিজেরই বীর্য ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢোকায়। কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ সে নেয়নি। অনলাইনে একটি ইনজেকশন কিনে সে নিজেই চিকিৎসা শুরু করেছে। গত ১৮ মাস ধরে একই কাজ করে চলেছে সেই ব্যক্তি। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। আর হবেই বা কী করে? চিকিৎসাশাস্ত্রে তো এমন কোনও নিয়মের উল্লেখ নেই।

গোয়ালঘরে ‘অনুপ্রবেশ’, গরুর লাথি খেয়ে বেহুঁশ শিয়াল ]

কী এমন ঘটেছিল ওই ব্যক্তির সঙ্গে?

জানা গিয়েছে, তিনি ভারী কোনও লোহার জিনিস তুলেছিলেন। তারপর থেকেই ব্যথা শুরু হয়। পিঠের নিচের দিকে শুরু হয়েছিল ব্যথা। ক্রমশ সেটি বাড়ছিল। তারপরই সেই ব্যক্তি এই উপায় অবলম্বন করেন। তাঁর ডান হাতে নিজেরই বীর্য ইনজেক্ট করতে শুরু করেন। বারবার এই ‘বিকল্প চিকিৎসা’-র কারণে তাঁর ডান হাতটি ক্রমশ লাল হয়ে গিয়েছে আর ফুলে গিয়েছে। এক্সরে-র ফলে দেখা গিয়েছে বীর্যের মধ্যে যে বাতাস থাকে, তা তাঁর পেশীর উপর প্রভাব ফেলেছে। তার ফলেই এমন হয়েছে। চিকিৎসকরা ওই ব্যক্তিকে কিছু ওষুধ দিয়েছেন। সেগুলি খেয়ে আর হাসপাতালে তাঁদের তত্ত্বাবধানে থেকে ওই ব্যক্তি আপাতত সুস্থ রয়েছেন। তাঁকে সতর্কও করা হয়েছে।

গবেষণার জন্য অনেক সময় বিজ্ঞানীর ইঁদুর বা খরগোশের দেহে বীর্য ইনজেক্ট করেন। কিন্তু তা এখনও গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। এইসব পশুদের শরীরে বীর্যের কী প্রভাব পড়ে, তাই এখনও অজানা। তাই মানুষের শরীরে বীর্য প্রবেশ তো এখন শতহস্ত দূরে। আর পিঠের ব্যথা কমানোর জন্য এর তো কোনও প্রসঙ্গই আসে না।

শুঁড়ে বেজে ওঠে ‘সুর’, লক্ষ্মীর মাউথ অর্গানে মুগ্ধ নেটিজেনরাও ]

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং