Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Poland

সে কী! ১৯২ বার ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ফেল করেছেন এই ব্যক্তি!

পোল্যান্ডের ওই ব্যক্তির 'নজির'-এ হতবাক বিশ্ব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২১, ১৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২১, ১৯:২৭

options
link
সে কী! ১৯২ বার ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় ফেল করেছেন এই ব্যক্তি! zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিতে গিয়ে কতবার অকৃতকার্য হতে পারেন একজন মানুষ? একবার কিংবা দু’বার, কিংবা হঠাৎ করে কেউ গাড়ি চালানো শিখলে বড়জোড় তিনবার হয়তো ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় বসতে হতে পারে তাঁকে। কিন্তু কখনও শুনেছেন ১৭ বছর ধরে একজন মানুষ ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে পরীক্ষা দিয়ে চলেছেন। এতদিনে ১৯২ বার পরীক্ষায় বসেও একবারও পাশ করতে পারেননি তিনি। শুনতে অবাক লাগলেও এমনই ‘নজির’ গড়েছেন পোল্যান্ডের এক ব্যক্তি।

জানা গিয়েছে, ৫০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি পোল্যান্ডের পিওত্রকৌও ট্রাইবুনালস্কির বাসিন্দা। তাঁর নাম জানা না গেলেও একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি গত ১৭ বছর ধরে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিয়ে চলেছেন। কিন্তু ১৯২ বার বসেও ওই পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি তিনি। এজন্য এখনও পর্যন্ত তাঁর খরচ হয়েছে ৬ হাজার জ্লোটি (Zloty) অর্থা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১.১৩ লক্ষ। এদিকে, ওই প্রদেশেরই আরও এক ব্যক্তি প্রায় ৪০ বার পরীক্ষায় বসেও পাশ করতে পারেননি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: OMG! দ্বিতীয় বিয়েতে রাজি নয় পরিবার, গোঁসা করে ল্যাম্পপোস্টে চড়লেন ষাটের ‘যুবক’!]

আসলে পোল্যান্ডে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দুটি ভাগে বিভক্ত। প্রথমে থিওরি পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা। থিওরি পরীক্ষা ৫০-৬০ শতাংশ মানুষ পাশ করলেও, প্র্যাকটিক্যাল পাশ করেন মাত্র ৪০ শতাংশ। আর পাশ করতেও অন্তত দু-তিনবার পর পরীক্ষায় বসতে হয় অনেককেই। তবে ব্রিটেনেও কিন্তু এরকমই চিত্র। সেদেশেও এক ব্যক্তি ১৫৭ বার ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় বসেও পাশ করতে পারেননি। তবে তিনি ১৫৮তম বারে পরীক্ষায় বসে পাশ করেছিলেন। অপর এক মহিলাও ১১৭ বার ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় বসেও তা পাশ করতে পারেননি।

আমি চাই বেহালার মানুষের পাশে থাকতে। অনেকবার ওখানে গিয়েছি। বেহালায় অনেক চেনাশোনা রয়েছে। প্রত্যেকের সুবিধা-অসুবিধা জানার চেষ্টা করব। আশা করি বেহালার মানুষ আমার উপর ভরসা করবেন। আমি নিজের ১০০ শতাংশ দিয়ে তাঁদের ভরসার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করব। এর পাশাপাশি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা বলব।

[আরও পড়ুন: পুলিশকেই কনে খুঁজে দেওয়ার আরজি! থানায় হাজির ২ ফুট উচ্চতার যুবক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.