Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Music

আবর্জনাস্তূপের মাঝেও সুরের খোঁজ! ফেলে দেওয়া সামগ্রীতে বাদ্যযন্ত্র বানিয়ে চমক শিল্পীর

সুরতরঙ্গে 'ম্যাজিক' তৈরি করেন সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৩, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৩, ১৮:৩৬

options
link
আবর্জনাস্তূপের মাঝেও সুরের খোঁজ! ফেলে দেওয়া সামগ্রীতে বাদ্যযন্ত্র বানিয়ে চমক শিল্পীর zoom

সুমন করাতি, হুগলি: কিছুই যায় না ফেলা… অবহেলায় ফেলে দেওয়া সামগ্রীতেও যে এত সুর, ছন্দ রয়েছে, তা কে-ই বা ভেবেছিল? কিন্তু ভাবতে প্রায় বাধ্য করলেন শ্রীরামপুরের সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেলে দেওয়া বাতিল বোতল, নারকেল মালা কুড়িয়ে ঘুরে এনে সুর(Music) বেঁধে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন সোমনাথ! হ্যাঁ, বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও এটাই সত্যি। মানুষের ফেলে দেওয়া জিনিস (Waste things) কুড়িয়ে নেন সোমনাথ, তা জমা করার জন্য নয়। সেই ফেলে দেওয়া সব সামগ্রী থেকে নতুন সুরতরঙ্গ সৃষ্টি করেন তিনি। তৈরি করেন নানা বাদ্যযন্ত্র।

Advertisement

 

সুরের খেলায় মেতে উঠতে দামী বাদ্যযন্ত্র নয়, প্রয়োজন শিল্পীর কল্পনাশক্তির। আর শ্রীরামপুরের বাড়িতে এটাই প্রমাণ করে চলেছেন সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।তার লক্ষ্য রোজকার ব্যাবহার করা বা ফেলে দেওয়া জিনিস থেকে নতুন নতুন সুর তৈরি করে ফেলা। যেসব জিনিস হয়তো অন্যদের নজর এড়িয়ে যায়, সেসবের মধ্যে থাকা ‘ম্যাজিক’ ধরা পড়ে সোমনাথ বাবুর চোখে। এই সাধনায় তাঁর অংশীদার ছেলেও। ইতিমধ্যেই সোমনাথবাবু এলাকায় জলতরঙ্গ শিল্পী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

[আরও পড়ুন: ‘আপনার আমলে ক’টা মুসলিম দেশে হামলা হয়েছে?’ ওবামাকে খোঁচা দিয়ে প্রশ্ন রাজনাথের]

ফ্লোর টাইলস দিয়ে সিরামিক তরঙ্গ, কাচ দিয়ে কাচতরঙ্গ, সসের বোতল দিয়ে বোতলতরঙ্গ, ঠান্ডা পানীয়ের বোতল দিয়ে প্লাস্টিক বোতল তরঙ্গ নামের বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে ফেলেছেন। যেগুলি ইতিমধ্যেই মানুষকে মুগ্ধ করেছে। সারা বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর তৈরি বিভিন্ন ধরনের শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে অনুষ্ঠান করে থাকেন সোমনাথবাবু। তাঁর বাবা নীরদবরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বিখ্যাত জলতরঙ্গ শিল্পী। যিনি নিজে বাঁশ দিয়ে বাঁশতরঙ্গ এবং কাঠ দিয়ে কাঠতরঙ্গ তৈরি করেছিলেন।

সোমনাথবাবু ১২ বছর বয়সে বাবাকে হারান। বাবার তৈরি বাঁশতরঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় একসময় অনুষ্ঠান করতেন সোমনাথ বাবু। তারপর একসময় নিজেই মগ্ন হয়ে পড়েন নিজের সৃষ্টিতে। ফেলে দেওয়া নারকেল মালা দিয়েও তৈরি করে ফেলেছেন বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র। মালার জলতরঙ্গ, ড্রামসেট, একতারা, বাংলা ঢোল, তবলা, সেতার, তানপুরা-সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র মডেল ইতিমধ্যেই প্রশংসা পেয়েছে সকলের কাছে। সোমনাথবাবু বলেন, ”আমি ফেলে দেওয়া বা বাতিল জিনিস দিয়েই বাদ্যযন্ত্র তৈরি করি। সসের বোতল, ঘিয়ের শিশি, নারকেল মালা দিয়েই তৈরি করি বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র আর সেগুলো দিয়ে নতুন নতুন সুরসৃষ্টিতেই আনন্দ।”

[আরও পড়ুন: কার্যত গৃহযুদ্ধ মণিপুরে! মোদিকে রিপোর্ট অমিত শাহর]

এখন শুধু বাদ্যযন্ত্র শিল্পী নয়, হস্তশিল্পীও বলা যায় সোমনাথবাবুকে। কারণ, ফেলে দেওয়া সামগ্রী দিয়ে ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ ইতিমধ্যেই তৈরি করে ফেলেছেন। সুর আর শিল্পের চর্চাতেই নিজেকে ব্যস্ত করে ফেলেছেন শ্রীরামপুরের (Sreerampur) সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তাঁর অভিনব সৃষ্টি কুড়োচ্ছে দেদার প্রশংসা।

দেখুন ভিডিও:

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.