সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর নামে গিনেস বুকে রয়েছে ২০০ টি রেকর্ড। সবচেয়ে বেশি রেকর্ড করার রেকর্ডও রয়েছে তাঁর নামে। ইনি অশরিতা ফারম্যান, থাকেন আমেরিকার নিউ ইয়র্কে। রেকর্ড করাটাই তাঁর নেশা। আর গিনেস বুকে নতুন করে নাম তোলার জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই নতুন আইডিয়া খুঁজছিলেন ফারম্যান। অনেক ভেবে বের করলেন নতুন আইডিয়া। রেকর্ড করার জন্য নতুন জীবনের ঝুঁকি নিতেও ছাড়েননি তিনি।
[২২ বছর ধরে গভীর অরণ্যই ঘর, আমাজনের ‘টারজান’কে ঘিরে রহস্য]
সময় মাত্র ৬০ সেকেন্ড, তাতে কাটতে হবে অন্তত কুড়িটির বেশি তরমুজ। আপাতদৃষ্টিতে মনে হবে বিরাট কঠিন কিছু কাজ নয়। কিন্তু এই কাজটিই যদি করতে বলা হয় পেটের উপর রেখে। অর্থাৎ, আপনার পেটের উপর তরমুজগুলি রেখে আপনি নিজেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোঁপাচ্ছেন, যে কোনও সময় তরমুজ ফুড়ে কেটে যেতে পারে পেট। ভাবতে পারছেন, শুধু রেকর্ডের নেশায় কত বড় ঝুঁকি নিয়ে নিলেন ৬৩ বছরের এই বৃদ্ধ। এই ধরনের কোনও রেকর্ড আগে কখনও হয়নি। তাই, ঠিক কতগুলি তরমুজ কাটলে সেটা রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে এটা ঠিক করাই ছিল কঠিন কাজ। গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয়, বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গণ্য হতে হলে অন্তত ২০ টি তরমুজ এভাবে কাটতে হবে ফারম্যানকে। গিনেস বুকের চ্যালেঞ্জ সাদরে গ্রহণ করেন ৬৩ বছর বয়সি বৃদ্ধ।
[মাছে কি ফরমালিন? জারিজুরি ধরা পড়বে একটুকরো কাগজেই]
ব্যাস যেমন বলা তেমন কাজ। ঝুঁকিপূর্ণ এই চ্যালেঞ্জে শুধু উতরে গেলেন বলা ভুল। রীতিমতো ফার্স্ট ডিভিশনে উত্তীর্ণ ফারম্যান। ২০টির জায়গায় ২৬ টি তরমুজ তিনি কাটলেন ধারালো অস্ত্র দিয়ে। চ্যালেঞ্জ সম্পূর্ণ হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তিনি খুশি। একটি সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এই চ্যালেঞ্জটি টপকে বেশ আনন্দ পেয়েছেন। কারণ এটা শুধু কঠিন নয়, ঝুঁকিপূর্ণও বটে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন বলেই হয়তো তাঁকে নেটদুনিয়া ‘ভার্সাটাইল ম্যান’ হিসেবে চেনে। আসলেই তিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।
সর্বশেষ খবর
-
সাগরেই লুকিয়ে ইউরেনিয়াম খনি! পরমাণু শক্তি বৃদ্ধিতে চিনের ‘কেমিক্যাল ফাঁদ’, টেক্কা আমেরিকাকে
-
ডেলিভারির আড়ালে বাইক চুরি! সিসিটিভি দেখে বেলঘরিয়ার ‘বান্টি-বাবলি’কে ধরল পুলিশ
-
পুলিশ হেফাজতেই সোমনাথের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার! ফের হাজতে নির্মল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা
-
‘ট্রিপল ইঞ্জিনেও বিপর্যয়’, দিল্লিতে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় ‘দায়বদ্ধতা’ নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের
-
মুসলিম হয়েও দোকানের নামে হিন্দুত্বের ছোঁয়া! মালিকের ধর্ম পরিচয় লেখার ‘নিদান’ সনাতন জাগরণ মঞ্চর