Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টিকটিকি

বিনামূল্যে খাওয়ার জন্য রেলের মিলে টিকটিকি ফেলে দিলেন যাত্রী!

তারপর কী হল তাঁর সঙ্গে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০১৯, ১৭:০৫

options
link
বিনামূল্যে খাওয়ার জন্য রেলের মিলে টিকটিকি ফেলে দিলেন যাত্রী! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলের খাবারে আরশোলা বা টিকটিকি মেলার ঘটনা একাধিকবার শিরোনামে এসেছে। অনেক সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছেন যাত্রীরা। কিন্তু এক যাত্রী যা করলেন, তা নিশ্চিতভাবে আপনার কল্পনার বাইরে। শুধুমাত্র বিনামূল্যে খাবার হাতানোর জন্য নিজের খাবারে নিজেই টিকটিকি ফেলে দিলেন তিনি! বিশ্বাস না হলে আবার পড়ুন। একবার নয়, এমন কাজ একাধিকবার করেন তিনি। কিন্তু তৃতীয়বার ধরা পড়ে যান।

[আরও পড়ুন: অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে ফের সরব বিদ্বজ্জনরা, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শ্যাম বেনেগাল-অপর্ণা সেনদের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

না, কোনও অল্পবয়সি দুষ্টুমি করে এমন অদ্ভুত কাণ্ড ঘটায়নি। ঘটিয়েছেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ সুরেন্দর পাল। রেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টা প্রথমে ধরতে না পারলেও তৃতীয়বার তাদের সন্দেহ হয়। এক রেল কর্মী বুঝতে পারেন, একই ব্যক্তির খাবারে বারবার টিকটিকি পাওয়া যাচ্ছে। আর তখনই রহস্য ফাঁস হয়। বিনামূল্যে খাবার পাওয়ার লোভেই এসব করেছেন তিনি। রেলের ডিভিশনার কমার্শিয়াল ম্যানেজার (ডিসিএম) বসন্ত কুমার শর্মা বলেন, “গত ১৪ জুলাই জব্বলপুরে বৃদ্ধ যে সিঙারাটি খেয়েছিলেন, সেটিতে মরা টিকটিকি ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। আবার গুন্টকাল স্টেশনে বিরিয়ানি অর্ডার করেও একই অভিযোগ তোলেন বৃদ্ধ। বিষয়টি বেশ সন্দেহজনক ঠেকে তাঁর। বৃদ্ধের ছবি তুলে অন্যান্য সিনিয়র ডিসিএমদের জানিয়ে দেন তিনি। তারপর থেকেই তাঁকে চোখে চোখে রাখা হচ্ছিল। তৃতীয়বার একই কাণ্ড ঘটাতে গেলে ধরা পড়ে যান। ৭০ বছরের নাগরিক বিনামূল্যে মিল পেতে যে এ কাণ্ড ঘটাতে পারেন, তা বিশ্বাসই করতে পারছে না রেল কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন: এই ক্যাফেতে আজও অমর কারগিল যুদ্ধের শহিদ ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা]

এনিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে নিজের দোষ স্বীকার করে নেন সুরেন্দর পাল। সঙ্গে এও বলেন, টিকটিকি নয়, আসলে তিনি একধরনের মাছ মিলের মধ্যে ফেলে দিচ্ছিলেন। রেল কর্তৃপক্ষের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এমন কাজ তিনি করেছেন বলে দাবি রেলের। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করেনি তারা। বৃদ্ধ জানান, তিনি ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত। মানসিকভাবে সুস্থ নন। তাই এমনটা করেছেন। সেই কারণেই তাঁকে সতর্ক করে ছেড়ে দেন রেল কর্মীরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.