Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
কুকুর

নিজের জীবন বিপন্ন, তবু সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে যাচ্ছে সারমেয়

জীবনেরও আগে অপত্যস্নেহ, বুঝিয়ে দিল অবলা জীব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২০, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২০, ২০:১৩

options
link
নিজের জীবন বিপন্ন, তবু সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে যাচ্ছে সারমেয় zoom
Advertisement

ধীমান রায়, কাটোয়া: জীবন সংকটে মা। তাতেও মন থেকে মুছে যায়নি সন্তানস্নেহ। নিজে অভুক্ত। প্রাণ সংশয় অবস্থা। তারই মধ্যে সন্তানদের স্তন্যপান করিয়ে যাচ্ছে একটি সারমেয়। এমনই দৃশ্য ধরা পড়ল সংবাদ প্রতিদিন ডট ইনের ক্যামেরায়। ঘটনাস্থল পুর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম থানার কয়রাপুর গ্রাম। দেখা যায়, একটি কুকুরের মাথায় আটকে রয়েছে একটি প্লাস্টিকের কৌটো। আর সেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তার ছানাদের দুধ খাওয়াচ্ছে ওই সারমেয়। কুকুরটির মুখে কৌটো আটকে যাওয়া দু-এক ঘন্টার বিষয় নয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, তিনদিন ধরে ওই অবস্থার মধ্যে রয়েছে কয়রাপুর গ্রামের রাস্তার ওই সারমেয়টি। স্থানীয়রা কুকুরটির মাথা থেকে কৌটোটা খোলার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কুকুরটি দৌড়াদৌড়ি শুরু করায় তারা পারেননি বলে জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়রাপুর গ্রামের লাইব্রেরি পাড়ার কাছে ওই কুকুরটি থাকে। সম্প্রতি তার পাঁচটি বাচ্চা জন্মগ্রহণ করেছে। তারা মায়ের সঙ্গেই ঘোরাঘুরি করে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্বাস আলি শেখ বলেন, ”তিনদিন আগে দেখি কুকুরটার মাথায় কৌটোটা আটকে গিয়েছে। কারও বাড়িতে খেতে গিয়ে এটা হয়েছে। তারপর থেকে কুকুরটি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। খেতে পায়নি। তবুও নিজেদের সন্তানদের দুধ দিচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি এভাবে আর দু একদিন থাকলে ও না খেতে পেয়ে মারা যাবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: নদীর কাদায় আটকে ব্যক্তি, বাঁচাতে হাত বাড়াল ওরাংওটাং]

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কৌটোর রং সাদা হওয়ায় কুকুরটির কাছে গেলে বুঝতে পারছে। পালিয়ে যাচ্ছে। তাই তারা চেষ্টা করেও খুলতে পারেননি। গ্রামবাসীরা এদিন রবিবার বিকেলে বনদপ্তরে খবর দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ছবি: জয়ন্ত দাস

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.