১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন একেবারে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা৷ খালি খোলস আর ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখতে হবে না৷ বারমুডা দ্বীপের হারিয়ে যাওয়া শামুকরা ফিরে এসেছে-সশরীরে, সদলবদলে৷ ব্রিটেনের একটি চিড়িয়াখানার উদ্যোগে হাজার চারেক বিশেষ প্রজাতির শামুককে ফিরিয়ে আনা হয়েছে৷ যা দেখে খুশি বারমুডাবাসী৷ আর পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পেরে নিশ্চিন্ত পরিবেশবিদরাও৷

[ আরও পড়ুন: ঘোড়ায় চড়ে ম্যাচ দেখতে পাক সমর্থক! হেসে খুন নেটিজেনরা]

অনেকগুলো বছর ধরে বারমুডা দ্বীপের বিশেষ প্রজাতির, আকারে ছোট শামুক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ সৈকতে সৈকতে শুধুই খোলস পড়ে ছিল৷ অনেকেই ভেবেছিলেন, বুঝি হারিয়েই গেল শামুকগুলো৷ তাই খোলসগুলি কুড়িয়েই সকলে নিজের সংগ্রহে রাখছিলেন আর মনখারাপ করছিলেন৷ কারণ, ওই শামুকগুলো একমাত্র তাদের জায়গারই বাসিন্দা৷ তাদের প্রায় নিত্যসঙ্গী৷ বারমুডার বন্যপ্রাণ সংরক্ষক মার্ক আউটারব্রিজের কথায়, ‘আমরা ভেবেছিলাম, অন্তত ৪০ বছর আগে এই শামুকগুলো বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল৷ গ্রেটার বারমুডা এলাকাতেও খোঁজ করেছি, পাওয়া যায়নি৷ কিন্তু আমাদের ভাবনায় ভুল ছিল৷’ তিনি আরও বলছেন, ‘একদিন আমাদের এক সহকর্মী হাতে করে শামুক নিয়ে এল৷ আমরা ভাবলাম, শুধুই খোলস বোধহয়৷ কিন্তু পরীক্ষা করে দেখলাম, খোলসের ভিতরে প্রাণ আছে৷ এত ছোট্ট প্রাণী তো, তাই বুঝতে সমস্যা হয়৷’

প্রায় হারিয়ে যেতে বসা শামুকগুলির প্রত্যাবর্তন নিয়ে কিন্তু বেশ রহস্য আছে৷ কেউ কেউ বলছেন, বাড়ির পাশে জলা জায়গায় কিংবা প্লাস্টিক ফেলার ডাস্টবিনের গায়ে গায়ে নাকি ওই ছোট ছোট শামুকগুলোকে দেখতে পান৷ তাঁরা সকলেই প্রথমে ভেবেছিলেন, ওগুলো ফাঁকা খোলস৷ কিন্তু হাতে নিয়ে দেখেন, ভিতরে মাংসল অংশ এবং তা সচল৷ এরপরই খবর পৌঁছায় বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার কাছে৷ শামুকগুলিকে সংগ্রহ করে পরীক্ষানিরীক্ষা চলে৷ বোঝা যায়, বিলুপ্ত হতে হতেও কোনও এক কারণে এরা কিছুটা বংশবৃদ্ধি করতে পেরেছে৷ আর নিজেদের এলাকা ছেড়ে লোকালয়ে এসে পড়েছে, বাঁচার তাগিদে৷

[ আরও পড়ুন: মন্ত্রপূত চাল খাইয়ে চোর ধরার চেষ্টা! গুরুতর অসুস্থ ৫০ জন পড়ুয়া]

এটুকু বোঝার পর আর দেরি করেননি বন্যপ্রাণ সংরক্ষকের দল৷ গবেষণাগারে নিয়ে গিয়ে কৃত্রিম উপায়ে এদের প্রজননের ব্যবস্থা করা হয়৷ সংখ্যাটা অন্তত চারগুণ বাড়ানোর পর উপযুক্ত স্থানে ছাড়া হয়৷ আপাতত তারা বারমুডার চেস্টার চিড়িয়াখানার স্থায়ী বাসিন্দা৷ সেখানে সংরক্ষিত এলাকায় রয়েছে এই বিশেষ শামুকগুলো৷ নতুন আশ্রয়ে তারা দিব্যি আছে৷   

snail

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং