Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
London

OMG! ১০৫ মিনিটে ৩৬টি বই পড়ে রেকর্ড বুকে নাম তুলল এই বিস্ময় বালিকা

মাত্র পাঁচ বছর বয়সেই অনন্য কীর্তি স্থাপন করল সে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২১, ১৯:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২১, ১৯:৩৩

options
link
OMG! ১০৫ মিনিটে ৩৬টি বই পড়ে রেকর্ড বুকে নাম তুলল এই বিস্ময় বালিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট বয়স থেকেই ছেলে-মেয়ের মধ্যে বই পড়ার অভ্যেস তৈরির চেষ্টা করেন মা-বাবারা। অনেক সময় শিশুরা বেশ আনন্দের সঙ্গেই এই বিষয়টিকে গ্রহণ করে।ভবিষ্যতে দেখা যায়, তাদের কাছে বইটাই যেন আস্ত একটি দুনিয়া। যেকোনও বই হাতের কাছে পেলেই গোগ্রাসে গিলতে শুরু করে দেয় তারা। সম্প্রতি সামনে এসেছে সেরকমই এক পাঁচ বছর বয়সি খুদের প্রতিভা। যে কি না মাত্র ১০৫ মিনিটেই এক টানা ৩৬টি বই পড়ে ফেলতে পারে। ইতিমধ্যে এই কৃতিত্বের জন্য লন্ডনের (London) ওয়ার্ল্ড বুক অব রেকর্ড (World Book of Record) এবং এশিয়া বুক অব রেকর্ডে (Asia Book of Record) নিজের নামও তুলে ফেলেছে কিয়ারা কৌর নামে ওই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন (Indo-American) খুদে।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছর বয়সি কিয়ারা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এই রেকর্ডটি গড়ে। প্রায় ১০৫ মিনিট অর্থাৎ দু’ঘণ্টার কাছাকাছি সময়ের মধ্যে একটানা বই পড়তে থাকে সে। আর ওই সময়ের মধ্যে ৩৬টি বই পড়ে রেকর্ডটি গড়ে। ওয়ার্ল্ড বুক অব রেকর্ডের পক্ষ থেকে তাকে ‘খুদে প্রতিভা’ আখ্যাও দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: আট মাসের গর্ভবতী হয়ে তাইকোন্ডোয় সোনা, মহিলা অ্যাথলিটকে কুর্নিশ নেটদুনিয়ার]

জানা গিয়েছে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন এই খুদে থাকে আবু ধাবিতে। যখনই সুযোগ পায়, তখনই বই নিয়ে পড়তে শুরু করে দেয় সে। এরকমই একদিন লাইব্রেরিতে বই পড়ার সময় তার দিকে নজর পড়ে এক শিক্ষকের। এরপরই ছোট্ট কিয়ারার অনন্য প্রতিভা সামনে আসে। এক সাক্ষাৎকারে সে জানায়, “বই পড়া আমার কাছে খুবই আনন্দের। যেখানে খুশি সেখানে বই নিয়ে যাওয়া যায়। তবে ফোনে বই পড়া বা ভিডিও দেখা সবসময় সম্ভব হয় না। কারণ অনেক সময়ই নেটের সমস্যা দেখা যায়। বইতে অক্ষর এবং ছবি দেখতে আমার খুব ভাল লাগে।” কিয়ারার মা জানায়, কিয়ারা এই বই পড়ার অভ্যেস পেয়েছে তার দাদুর কাছ থেকে। হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে সে দাদুর কাছ থেকে গল্প শুনত। আর সেই থেকেই বিভিন্ন বই পড়ার প্রতি তার আকর্ষণ বাড়ে। আর এবার সেই আকর্ষণই কিয়ারার নাম তুলে দিল রেকর্ড বইয়ে।

[আরও পড়ুন: OMG! Google Maps দেখে অন্য মেয়ের বাড়িতে পৌঁছে গেল বরযাত্রী! তারপর…]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.