সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শীত হোক কিংবা বর্ষা। দিন হোক বা রাত, দিল্লির (Delhi) সিলমপুরের রাস্তায় গেলেই দেখা মিলবে এক বৃদ্ধের। কখনও হাত নেড়ে, কখনও আবার চিৎকার করে নিয়ন্ত্রণ করছেন ট্রাফিক। সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এভাবেই কাজ করে চলেছেন তিনি। গত ৩২ বছর ধরে এটাই তাঁর রোজনামচা। এমনকী করোনা (Corona) কিংবা লকডাউনও তাঁর কাজের পথে বাধা হতে পারেননি। অথচ এই কাজের জন্য এক টাকাও পারিশ্রমিক নেন না গঙ্গারাম নামে ওই বৃদ্ধ। আসলে তাঁর এই কাজের পিছনে রয়েছে এক মর্মান্তিক ঘটনা।
[আরও পড়ুন: একাকী জীবন, সহচরীর খোঁজে ফের সাতপাকে বাঁধা পড়লেন চুয়াত্তরের বৃদ্ধ]
সিলমপুর এলাকার এই সিগন্যালের সামনে রাস্তা পার হতে গিয়েই গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিল গঙ্গারামের একমাত্র পুত্র। ছেলের দুঃখে এরপর তাঁর স্ত্রীও মারা যান। এরপর পরিবারে আর কেউ না থাকায়, হঠাৎ একদিন এই কাজ করতে শুরু করে দেন। একসময়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করতেন গঙ্গারাম। লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিভি, ফ্রিজ, পাখা ইত্যাদি সারাতেন। ছেলেও যোগ দিয়েছিল পেশায়। সব কিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন পুলিশ এসে তাঁর ছেলের মৃত্যুর খবর দিল। এরপর ছেলের শোকে তাঁর স্ত্রীও গত হলেন।
[আরও পড়ুন: প্রতিবেশীর ঘর থেকে ভেসে আসছে একের পর এক গুলির শব্দ, দরজা ভেঙে ঢুকে তাজ্জব পুলিশ]
তারপর থেকে প্রতিদিন হাতে লাঠি নিয়ে, পুলিশের মতো করে ইউনিফর্ম পরে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন গঙ্গারাম। এভাবেই চলছে গত ৩২ বছর ধরে। বর্তমানে ৭২ বছর বয়স হলেও দিব্যি কাজ করছেন গঙ্গারাম। করোনা কিংবা লকডাউন, তাঁর কাজে বাধা হতে পারেনি। তাঁর এই খবর সামনে আসতে দেশজুড়ে প্রত্যেকেই বৃদ্ধের এই কাজের প্রশংসা করেছেন। ইতিমধ্যে বহু সংস্থা গঙ্গারামকে সংবর্ধনা জানিয়েছে। কাজে সাহায্যের জন্য পুলিশ তাঁকে একটি মোবাইল ফোনও উপহার দিয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে ফের কোভিডে মৃত্যু! প্রাণ গেল দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালের সুপারের
-
দেশের আরও এক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, স্বাধীনতা দিবসেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
-
৩ নম্বরে দু’বছরের খরা কাটালেন পাড়িক্কল, ভারতের অ্যাডভান্টেজে ‘কাঁটা’ রাহুলের চোট
-
চাকরির জায়গায় মনোবল হারাচ্ছেন? নিজেকে ব্যক্তিত্বময় করে তুলতে খেয়াল রাখুন এই ৬ বিষয়
-
বিয়ের পর প্রাক্তন কিরণের সঙ্গে ক্লিনিকে আমির, অঝোরে কান্না ছেলে আজাদের, ভাইরাল ভিডিও