সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিকটক ভিডিও তৈরি করার জন্য কত কিছুই না করেন টিকটকাররা। কখনও ছুটন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন কেউ তো আবার কখনও তার চেয়েও বেশি বিপজ্জনক কিছু কার্যকলাপ করে থাকেন। এবার টিকটক ভিডিওর জন্য বরফের চাদরে ঢাকা জলে সাঁতার কাটলেন এক যুবক। ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও শেয়ার করেন ওই টিকটকার। শেয়ার করলেন নিজের অভিজ্ঞতাও।
জ্যাসন ক্লার্ক নামে ওই টিকটকারের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, একটি লেকের জল বরফে ঢেকে গিয়েছে। তার নিচে রয়েছে হিমশীতল জমা জল। বরফের চাদর হাত দিয়ে সরিয়ে জলে ডুব সাঁতার কাটতে শুরু করেন তিনি। জ্যাসন বলেন, “আমি কখনও মৃত্যুকে এত কাছ থেকে দেখিনি। আমি হিমশীতল ওই জলে সাঁতার কাটতে শুরু করার পরেই বুঝতে পারি আমার চোখের মণিও স্থির হয়ে গিয়েছে। যখন জলে সাঁতার কাটতে শুরু করলাম, তখনই আমার হাত-পা জমে গিয়েছিল। শেষের দিকে আমি আর ভাল করে শ্বাস নিতেও পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল কেউ আমার শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। শারীরিক সমস্যা হচ্ছে বুঝতে পেরেই বরফের ভিতর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসি। লক্ষ্য করি আমার হাত, পা-সহ গোটা শরীর প্রায় অবশ হয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েকবার জোরে শ্বাস নিই। তারপর কিছুটা সুস্থ হই আমি।”
[আরও পড়ুন: কান্নার বালাই নেই, দৃষ্টিতেই যেন ভস্ম করবে! জন্মের পরই ভাইরাল শিশু]
বরফের চাদর সরিয়ে সাঁতার কাটার ভিডিও ভাইরাল হতে বেশি সময় নেয়নি। হু হু করে নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে জ্যাসনের ভয়ংকর ভিডিও। নেটিজেনদের একাংশ ওই ঠান্ডায় ডুব দেওয়ার পর জ্যাসনের কী অবস্থা হল, তা নিয়ে ভাবনায় ব্যস্ত। নেটিজেনের একাংশ অবশ্য, ঠান্ডাকে কাবু করে জ্যাসনের বরফ সরিয়ে জলে ঝাঁপ দেওয়ার সাহসকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। আবার কারও মতে, শুধুমাত্র জনপ্রিয়তার আশায় ঝুঁকি নিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করা মোটেও ভাল কথা নয়। তাই বিপজ্জনক দিকটির কথা মাথায় রেখে টিকটক ভিডিও তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন কোনও কোনও নেটিজেন।
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!