Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

একই কনেকে বিয়ে করতে বরযাত্রী নিয়ে হাজির দুই হবু বর, তারপর…?

শেষপর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়ল? 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২১, ২১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৬, ২০২১, ২১:২৯

options
link
একই কনেকে বিয়ে করতে বরযাত্রী নিয়ে হাজির দুই হবু বর, তারপর…? zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ে বাড়ি মানেই নানান ঘটনার ঘনঘটা। কখনও হাসির, কখনও বা দুঃখের। কখনও বিয়ের মণ্ডপ থেকেই বর পালিয়ে যাচ্ছে, তো কখনও আবার অন্য মেয়েকে বিয়ে করার খবর পেয়ে বিয়েবাড়িতে হাজির প্রাক্তন প্রেমিকা। কিন্তু কখনও শুনেছেন একই কনেকে বিয়ে করতে বরযাত্রী নিয়ে হাজির দুই হবু বর! শুনতে অবাক লাগলেও বিবাহ-বিভ্রাটের এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) এটাহ জেলার কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ সার্কেলের অন্তর্গত সিরোন গ্রামে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দা মোহিনী নামে এক যুবতীর সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল নিকটবর্তী সৌরিক পুলিশ স্টেশনের অন্তর্গত ফুলানপুর গ্রামের বাসিন্দা বাবলু নামে এক যুবকের। দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা করেই বিয়ের দিন স্থির। এরপর বিয়ের দিন নির্দিষ্ট সময়ে বিয়ের মণ্ডপে বরযাত্রী নিয়ে হাজির হন বাবলু। পরবর্তীতে নিয়ম মেনে বিয়ের অনুষ্ঠানও শুরু হয়। কিন্তু আচমকাই সেখানে হাজির আরেকটি বরযাত্রীর দল। আর সেখানে বরবেশে আসেন হায়াতনগরের বাসিন্দা অজিত নামে ব্যক্তি। এরপরই শুরু হয় ঝামেলা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারত থেকে পাঁচ হাজার লিটার বিষ কিনতে চায় অস্ট্রেলিয়া, কারণ জানলে অবাক হবেন]

আসলে, মোহিনীর সঙ্গে অজিতের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ওই যুবতীর বাড়ির লোক এই সম্পর্কে রাজি ছিলেন না। তাঁরা মোহিনীর বিয়ে বাবুলর সঙ্গে ঠিক করেন। এরপরই প্রেমিকার বিয়ের খবর জানতে পারেন অজিত। তাই পরিকল্পনামতো বরযাত্রী নিয়ে প্রেমিকার বিয়ের দিনই ছাদনাতলায় হাজির হন। জানা গিয়েছে, এর আগে আচারবিধি পালনের সময় বাবলু বরমালা পরালেও, শেষপর্যন্ত অজিতকে বিয়ে করে তাঁর বাড়ি চলে যান মোহিনী। এদিকে, বচসা আরও বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশকে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়। পুলিশ এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কনের বাবা ও কাকাকে হেফাজতে নিয়েছে এবং তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় বরের বাড়ির লোকজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন হওয়ায় এই নিয়ে কোনও পুলিশ আধিকারিকই মুখ খোলেননি।

[আরও পড়ুন: একেই বলে ভাগ্য! মাছ ধরতে গিয়ে কয়েক কোটির ‘সম্পত্তি’ পেলেন একদল মৎস্যজীবী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.