Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

‘মাইক ফুঁকে হেনস্তা করব সংবাদপত্রের অফিসকে!’ কেন আজব আবদার যোগীরাজ্যের যুবকের?

আইন ভাঙতে আইনি অনুমতির দ্বারস্থ যুবক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৪, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৪, ১৫:৩৮

options
link
‘মাইক ফুঁকে হেনস্তা করব সংবাদপত্রের অফিসকে!’ কেন আজব আবদার যোগীরাজ্যের যুবকের? zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এমন আজব আবেদন খুব কম পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) প্রশাসন। যোগীরাজ্যের এক ব্যক্তি পুলিশের অনুমতি নিয়েই স্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং কর্মীদের হেনস্তা করতে চাইলেন। প্রাণ ভরে ওদের গালি দিতে চান তিনি। ওই কাগজের অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে তারস্বরে মাইক ফুঁকে দুঘণ্টা ধরে অভিযোগ জানাতে চান। কেন এমন সিদ্ধান্ত? সংবাদপত্রের উপর ক্ষেপলেন কেন?

ইতিমধ্যে মহকুমা শাসকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ওই যুবক। সেই পত্র সূত্রে জানা গিয়েছে, আজব আবেদনকারীর নাম প্রতীক সিনহা। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত সংবাদপত্র ভিত্তিহীনভাবে জমির দখলদারির মামলায় তাঁর নাম জড়িয়েছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদেই নির্দিষ্ট সংবাদপত্রের অফিসের বাইরে মাইক টাঙিয়ে হেনস্তা করতে চান তিনি। তবে বেশিক্ষণ না মাত্র দুঘণ্টার জন্য সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষকে হেনস্তা করতে আবেদন জানিয়েছেন।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: OBC সম্প্রদায়কে অপমান রামদেবের! বিতর্কে জড়িয়ে কী সাফাই যোগগুরুর?]

আসলে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল ওই সংবাদপত্রে। যেখানে ‘জমি মাফিয়া’ বলা হয় প্রতীককে। এর ফলে তাঁকে বিস্তর হেনস্তার স্বীকার হতে হয়েছে। যার পর সংবদপত্রটিকে মানহানির নোটিসও পাঠিয়েছেন তিনি। এর পরেই জেলাশাসকের অফিসে আবেদন করেন। দুঘণ্টার জন্য অভিযুক্তদের হেনস্তার অনুমতি চান।

 

[আরও পড়ুন: সন্তানশোক দূর অস্ত, স্বামীর মুখোমুখি হতেই তুমুল ঝগড়া সূচনার! হতবাক পুলিশও]

প্রতীকের দাবি, গত ৯ জানুয়ারি তাঁর বাড়িতে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়েছিল। যেহেতু সংবাদপত্রে ‘জমি মাফিয়া’ হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সেই জন্যেই আগামী ১৫ জানুয়ারি দুপুর ১২ থেকে ২টো পর্যন্ত ওই সংবাদপত্রের সম্পাদক এবং কর্মীদের হেনস্তার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। স্বভাবতই অনুমোদন পাননি প্রতীক। জেলাশাসক এবং অফিসের অন্য আধিকারিকদের বক্তব্য, আইন ভাঙার জন্য আইনি অনুমতি চাওয়ার এমন নজির সত্যিই বিরল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.