Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্ট্রিট লাইট অপারেটর থেকে নগর পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান, আশ্চর্য উড়ান কংগ্রেস প্রার্থীর

বহু রাত রাস্তায় না খেয়ে কাটিয়েছেন, তিনিই এখন চেয়ারম্যান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৩, ১৬:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৩, ১৬:২৫

options
link
স্ট্রিট লাইট অপারেটর থেকে নগর পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান, আশ্চর্য উড়ান কংগ্রেস প্রার্থীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর মতো জীবনের উত্থান-পতন খুব কম মানুষ দেখেছেন। ‘রূপকথা’ বললে বেশি বলা হয় না। সেই কারণেই উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মীরানপুর কাটরা নগর পঞ্চায়েতের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মুখতার আহমেদ মাসুদিকে নিয়ে শুরু হয়েছে শোরগোল। তিনি যে কংগ্রেস প্রার্থী, সেকথা মনে থাকছে না লোকের। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সকলে মাসুদির আশ্চর্য শাপমুক্তির কাহিনিতে মজেছেন। কেমন সেই গল্প?

এক সময় স্ট্রিট লাইট অপরেটর ছিলেন মাসুদি। বহু রাত রাস্তায় না খেয়ে কাটিয়েছেন। হতাশায় আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। সেই মানুষটাই উত্তরপ্রদেশ পুর নির্বাচনে চমকে দিয়েছেন। মীরানপুর কাটরা নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সংবাদসংস্থাকে সাক্ষাৎকারে মাসুদি জানিয়েছেন, বছর দশেক আগে রাতারাতি অন্ধকার নেমে এসেছিল তাঁর জীবনে। ওই সময় স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যান। এই ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। মীরানপুর কাটরায় চলে আসার সিদ্ধান্ত নেন। যদিও এখানে পরিচিত কেউ ছিল না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: জাতি দাঙ্গায় রক্তস্নাত মণিপুরে ভরসা জোগাচ্ছে ‘সফেদ ঝান্ডা’]

ফলে বহু রাত রাস্তায় কাটান। দু’বেলার খাবারটুকু জুটত না। জীবন এতটাই দুর্বিসহ হয়ে ওঠে যে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। যদিও সেই চেষ্টা সফল হয়নি। রেললাইনে শুয়ে পড়েন। স্থানীয় যুবকরা ট্রেন আসার আগেই উদ্ধার করে তাঁকে। তাঁরাই মাসুদিকে মীরানপুর কাটরা নগর পঞ্চায়েতের তৎকালীন চেয়ারম্যান সামশুদ্দিন খানের কাছে নিয়ে যান। তিনি মাসুদিকে স্ট্রিট লাইট অপরেটরের কাজ দেন। রাস্তার আলো জ্বালানো এবং নেভানোর কাজ।

দীর্ঘদিন সেই কাজই করছিলেন মাসুদি। সম্প্রতি জীবন আশ্চর্য সুযোগ করে দেয়। ২০২৩ সালে ভোটের আগেভাগে মীরানপুর কাটরা নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান পদ পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত হয়। সেই সূত্রে সামশুদ্দিন খানের জায়গায় ভোটে লড়েন মাসুদি। এবং ৭৪২ ভোট জেতেন। তাঁর বদলে মাসুদি চেয়ারম্যান হওয়ায় ভীষণ খুশি সামশুদ্দিন। বলেন, “মাসুদির জয় কঠোর পরিশ্রমের ফল। ব্যক্তিগতভাবে দারিদ্র্যের অভিজ্ঞতা থাকায় আরও ভাল এবং সংবেদনশীল উপায়ে মানুষের সেবা করবেন মাসুদি। নগর পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অফিসার অবনীশ গাঙ্গোয়ার কথায়, “এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যেখানে মাসুদি কর্মী ছিলেন। আজ সেখানে তিনি প্রশাসক।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.