সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মানুষের মতো জটিল মস্তিষ্ক না থাকতে পারে, তথাপি বিরাট হৃদয় রয়েছে প্রাণীজগতের। প্রভুভক্ত সারমেয়, সংবেদনশীল হাতির কথা সকলের জানা। বিশেষজ্ঞরা বলেন, অধিকাংশ পশুদের রয়েছে নিজস্ব সমাজ কাঠামো। মানুষের অজানা ভাষায় চলে প্রেম-ঘৃণা-শোকের আদানপ্রদান। সেই কারণেই হয়তো হাতিসমাজে ফেরার যোগ্যতা হারায় কুনকি হাতি। আবার সঙ্গিনীকে শেষ চুম্বনে বিদায় জানায় একটি কোয়ালা। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
ঘটনাটি অস্ট্রেলিয়ার (Australia) অভয়ারণ্যের। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার পশুপ্রেমীরা উদ্ধার করেছেন একটি পুরুষ কোয়ালাকে। যখন সেটিকে উদ্ধার করা হয় তার আগের দৃশ্যটি ছিল হৃদয়বিদারক। উদ্ধারকারীরা দেখেন, একটি গাছের ডালে বসে দুটি কোয়ালা। স্ত্রী কোয়ালাটির মৃত্যু হয়েছে। তাকে কার্যত কোলে তুলে নিয়েছে জীবিত পুরুষটি। এর পর সেটি মৃত সঙ্গিনীকে চুম্বন করে শেষ বিদায় জানায়। ভালোবাসার এই মুহূর্তটি ভিডিও রেকর্ড করেছিল দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার পশুপ্রেমীরা। যা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: ‘শেখ শাহজাহানের চামড়া, গুটিয়ে দেব আমরা’, বিজেপির স্লোগানের পালটা দিল তৃণমূল]
পশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দৃশ্যটি বুঝিয়ে দেয় যে প্রাণীদের মধ্যেও কতখানি সামাজিক তথা আত্মীক বন্ধন গড়ে ওঠে। পুরুষ কোয়ালাটিকে উদ্ধারের পর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছিল। সেটি সুস্থ বোঝার পরে তাকে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে স্ত্রী কোয়ালিটির মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দ রয়েছে। অসুস্থতা বা আহত হওয়ার প্রমাণ পাননি চিকিৎসকরা। এদিকে ভিডিও দেখে মুগ্ধ নেটিজেন বলছে, শুধু মানুষেরই মন খারাপ হয় না। পশুরাও অনুভূতিপ্রবণ। তাদেরও হয়। কেউ কেউ জানিয়েছেন, এই দৃশ্য দুঃখের। চোখে দেখা যায় না।
[আরও পড়ুন: ‘জমি নিয়ে থাকলে ফেরত দিন’, সন্দেশখালি গিয়ে অভিষেকের বার্তা শোনালেন সেচমন্ত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের
-
দুর্গাপুজোর শেষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান! গুসকরার এই জমিদার বাড়িতে কেন দশমীতে হয় না ঘট বিসর্জন?
-
‘কমেন্ট ডিলিট করবেন না সলমন স্যার দেখুক,’ ভাইজানের টিমের উপর চটে লাল অমল মালিক
-
দীর্ঘ ব্যবহারে এয়ার ফ্রায়ারে জমছে তেল-দুর্গন্ধ, বাড়িতেই পরিষ্কার করুন এই ৩ উপায়ে
-
বিস্ফোরণেও এক চুল নড়বে না গাড়ি, ‘লাল ব্যানারে’ সুরক্ষিত জিনপিং, নিরাপত্তায় ১৫ হাজার জওয়ান