৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গানের জগতের বড় কোনও তারকা নন তিনি। এমনকী, গায়ক হিসাবে তাঁকে কেউই চেনেন না। গান গেয়ে যে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন এমনও নয়৷ কিন্তু ভগবান অকৃপণ হাতে গলায় সুর দিয়েছেন৷ সঙ্গে গান গাওয়ার ইচ্ছা৷ এমনই যুবকের প্রতিভার কদর করলেন এক ব্যক্তি৷ সুরেলা কণ্ঠে গাওয়া গান সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন তিনি৷ মন জয় করলেন বহু মানুষের৷

[আরও পড়ুন: নিখরচে জোম্যাটোর কর্মীর বাইকে চড়ে বাড়ি ফিরলেন যুবক, কীভাবে জানেন?]

প্রাণজিৎ হালোই নামের আনকোরা গায়ক পেটের টানে খাবার সরবরাহকারী সংস্থা জোম্যাটোয় চাকরি করেন৷ বাড়ি বাড়ি ঘুরে খাবার পৌঁছে দেওয়াই তাঁর কাজ। টাকার টানে কাজ করেন ঠিকই কিন্তু গান তাঁকে আজও টানে৷ তাই তো কাজের ফাঁকে আনমোনা গলায় সুর খেলে যায় তাঁর৷ সে বাইক চালাতে চালাতেই হোক কিংবা খাবার পৌঁছে দিতে গিয়ে ক্রেতার বাড়ির দরজা সামনে দাঁড়িয়ে, বেখেয়ালেই গান করে ফেলেন তিনি৷ কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই সুরেলা কণ্ঠের কদর পান না তিনি৷ কিন্তু পৃথিবীতে ব্যতিক্রমও যে কত কিছু ঘটে, তা তো আর অস্বীকার করা যায় না৷ তেমনই বিস্ময় ঘটল প্রাণজিতের জীবনেও৷

গুয়াহাটির বাসিন্দা অনির্বাণ চক্রবর্তী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন প্রাণজিৎ৷ গুনগুন করে গাইছিলেন ইয়েসুদাসের গাওয়া ‘গোরি তেরি গাঁও বড়া পেয়ারা’৷ সেই ভিডিও শেয়ার করে নিলেন অনির্বাণ৷ এমন সুন্দর গান সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার না করে পারলেন না তিনি৷ গানটি নেটিজেনদের নজর টানতে বেশি সময় নিল না৷ লাইক, কমেন্টের ঝড়ে নিমেষেই ভাইরাল হয়ে যান প্রাণজিৎ৷

[আরও পড়ুন: রাখি পূর্ণিমাতেই জেগে ওঠে নদীচর, একদিনের জন্য নতুন জায়গায় উৎসবে মাতেন মানুষ]

দিনকয়েক আগেই রানাঘাট স্টেশনের রানুদির গানও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়৷ লতাকণ্ঠীর গান ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর থেকে প্রায় বদলে গিয়েছে রানুদির জীবন৷ প্রাণজিতের ক্ষেত্রেও কি তাই হবে? বদলে যাবে জোম্যাটোর ডেলিভারি বয়ের জীবন? উত্তর দেবে সময়৷

দেখুন ভিডিও:

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং