Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Personal Finance

নিরাপদে কীভাবে করবেন অনলাইন ব্যাংকিং? এইচডিএফসি-র ১৬ দাওয়াই

ব্যাংকিং পরিষেবা নিরাপদ, ঝুঁকিহীন এবং সুষ্ঠু হোক-প্রতিটি গ্রাহকই তা চান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১৯:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২২, ১৯:১৭

options
link
নিরাপদে কীভাবে করবেন অনলাইন ব্যাংকিং? এইচডিএফসি-র ১৬ দাওয়াই zoom

ব্যাংকিং পরিষেবা নিরাপদ, ঝুঁকিহীন এবং সুষ্ঠু হোক-প্রতিটি গ্রাহকই তা চান। কিন্তু সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলার পরও কখনও কখনও বিপর্যয় ঘটেই যায়। তাই বাঞ্ছনীয়, বিশেষ কিছু নির্দেশ মেনে চলা। ‘সঞ্চয়’-এর জন‌্য বিশেষ এই লেখায় সেটাই জানালেন এইচডিএফসি ব্যাংকের চিফ ইনফরমেশন সিকিউরিটি অফিসার সমীর রাতোলিকার

 

Advertisement

জকের দিন প্রতিদিনের ব্যাংকিং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অনলাইন ব্যাংকিং ব্যাপকভাবে ক্রমবর্ধমান একটি চ্যানেল। একে সহজ ভাষায় সুষ্ঠু, সুবিধাজনক এবং ঐতিহ্যগত ব্যাংকিং পদ্ধতির দ্রুত প্রতিস্থাপন বলা যায়। এখনকার দিনে বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার, অনলাইন শপিং, এর মতো আরও অনেক কিছু শুধুমাত্র একটি মোবাইল অ্যাপ বা ব্যাংকের পোর্টালে লগ ইন করেই সম্পন্ন করা সম্ভব। তবে, সব সুবিধারও কোনও না কোনও অসুবিধা রয়েছে।

এক্ষেত্রে, অনলাইন ব্যাংকিংয়ের অসুবিধার কথা বলতে আমরা বিভিন্ন ধরনের হামলা বা অত্যন্ত সুচতুর পদ্ধতিতে প্রতারণার কথা বলছি যার মাধ্যমে একজন গ্রাহকের কাছে তার কাস্টমার আইডি, পিন, পাসওয়ার্ড, ওটিপি, অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যক্তিগত তথ্য (যা নিরাপত্তা যাচাই স্তরে অপব্যবহার করা হতে পারে) হাতিয়ে নেওয়া হয়। ঠিক সেই কারণেই এই ধরনের জালিয়াতি যাতে না ঘটে সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। এখানেই আসে নিরাপদ ব্যাংকিং-এর কথা। তবে স্পষ্টতই এটি একটি দ্বিমুখী পথ। যদিও আমরা ব্যাংক হিসাবে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করি, নিরাপদ থাকতে গ্রাহকের তরফেও বিচক্ষণতা প্রয়োজন। নিরাপদ ও সুষ্ঠু ব্যাংকিং পদ্ধতি সম্পর্কে সকলকে সচেতন হতে হবে এবং সুঅভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

[আরও পড়ুন: মিডক্যাপ ফান্ডে লগ্নিতে হতে পারে লক্ষ্মীলাভ]

নিচে কয়েকটি এই ধরনের সু-অভ্যাসের কথা জানালো হল-
#নিজের ফোনে ব্যাংকিং অ্যালার্ট সক্রিয় করুন।
#আপনার ফোন নম্বর ব্যাংকের কাছে আপডেট রাখুন।
#আপনার অজান্তে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন বা সিম ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কোনও ঘটনা ঘটলে আপনার ব্যাংককে অবহিত করুন।
#শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল আইস্টোর থেকে ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
#পাসওয়ার্ড-আপনার মোবাইল ফোনকে সুরক্ষিত করুন। আপনার নেটব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এবং পাসফ্রেজ ব্যবহার করুন।
#পাসওয়ার্ড, পাসফ্রেজ, পিন, ওটিপি, সিভিভি, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের মতো আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কখনই কারও সাথে শেয়ার করবেন না।
#ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার পরিষেবা সরবরাহকারী বা আইন প্রণয়নকারী সংস্থার কাছে অবিলম্বে রিপোর্ট করুন।
#নেট ব্যাংকিং অ্যাক্সেস করার জন্য ইমেল বা এসএমএসের কোনও সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করবেন না। নতুন ব্রাউজার উইন্ডোতে URL টাইপ করুন বা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে যান (উদাহরণ www.hdfcbank.com)
#ওয়েবসাইটগুলির ইউআরএল-এর শুরুতে https:// কিংবা লক করা প্যাডলক আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন।
#ব্যাংকিং সাইটগুলিতে কখনই অটো-কমপ্লিট বৈশিষ্ট্যটি ব্যবহার করবেন না বা। ‘রিমেম্বার পাসওয়ার্ড’ সুবিধাটি নির্বাচন করবেন না।
Bঅ‌্যান্টিভাইরাস-এর সঙ্গে আপনার মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার আপডেট রাখুন, আপনার ডিভাইসগুলি নিয়মিত স্ক্যান করুন।
#আপনার ব্যাংকিং সেশনে অ্যাক্সেস-এর জন্য পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করবেন না। যেমন রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, বিমানবন্দর ইত্যাদি।
#আপনার অনলাইন ব্যাংকিং সেশন শেষ করার পরে সর্বদা লগ-অফ করুন। ব্রাউজার উইন্ডোটি বন্ধ করুন।
#ফিশিং (অযাচিত ইমেল) এবং আপনার গোপনীয় তথ্য চেয়ে করা ভিশিং (অযাচিত কল) থেকে সতর্ক থাকুন।
#এসএমএস-এর মাধ্যমে আসা কোনও র‍্যান্ডম লিঙ্কে ক্লিক করবেন না বা উত্তর দেবেন না।
#প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার পর লেনদেন সংক্রান্ত এসএমএস রাখবেন না।

[আরও পড়ুন: মিডক্যাপ ফান্ডে লগ্নিতে হতে পারে লক্ষ্মীলাভ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.