রবিবার শেষ হল ৪৬তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। শেষদিনে রেকর্ড ভিড়ের সাক্ষী রইল বইমেলা প্রাঙ্গন।
২৮
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অন্যান্যবারের তুলনায় বই বিক্রির পরিমাণ এবার অনেকটাই বেশি। এখনও সঠিক পরিসংখ্যান হাতে না এলেও মনে করা হচ্ছে গতবারের ২৪ কোটিকেও ছাপিয়ে গিয়েছে এবারের বইমেলা। অর্থাৎ বইয়ের প্রতি ভালবাসা যে সাধারণ মানুষের এতটুকু কমেনি, তা বেশ স্পষ্ট।
আরও একটি রেকর্ড তৈরি হয়েছে এই বইমেলাকে ঘিরে। তা হল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর। সাধারণ দিনে এই রুটে যাত্রী হয় ৩০ হাজারের কাছাকাছি। ৯ দিনে শিয়ালদহ থেকে যাত্রীদের বইমেলা আসার দরুণ তা নয়া মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী সাড়ে ছ'লক্ষ যাত্রী হয়েছে এই ক'দিনে।
৪৮
জাগো বাংলা থেকে দে'জ, সংবাদ প্রতিদিন থেকে আনন্দ পাবলিশার্স- সব স্টলেই ছিল উপচে পড়া ভিড়।
৫৮
এবার থিম দেশ ছিল স্পেন। তাদের প্যাভিলিয়নে নানা আলোচনার পাশাপাশি পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের মূল মঞ্চেও প্রথিতযশা ও উঠতি সাহিত্যিকদের লেখা নিয়েও আলোচনা হয়।
শেষদিনেও একাধিক বই প্রকাশিত হয়েছে বইমেলায়। এবছর স্টল সংখ্যাও ছিল বেশি। প্রতিবার কমবেশি ৫০০টি স্টল থাকে। এবার একলাফে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯৫০। বইমেলার ভিড়ই বলে দিচ্ছে বেড়েছে পাঠক সংখ্যাও।
৭৮
বই বিক্রির হারে মুখে হাসি ফুটেছে প্রকাশকদেরও। করোনা কাল কাটিয়ে মানুষ আবার বইমুখো হয়েছেন বলেই মনে করছেন প্রকাশকদের একটা বড় অংশ।
৮৮
এবারের মতো বইপোকাদের আড্ডার ঠেকে ইতি। আসছে বছর আবার হবে বলেই বইপ্রেমীরা বিদায় জানাচ্ছেন ৮৬তম বইমেলাকে।
দিল্লি থেকে মুম্বই পর্যন্ত ভারতের বৃহত্তম এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হবে। রবিবার এই সড়কের প্রথম অংশটি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই এক্সপ্রেসওয়ের দূরত্ব ১৩৮৬ কিলোমিটার।
২৬
দিল্লি থেকে জয়পুর পর্যন্ত সড়কের ২৪৬ কিলোমিটার অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। আপাতত এই অংশেই যান চলাচল করতে পারে। এই দূরত্ব পাড়ি দিতে আগে সময় লাগত ৫ ঘণ্টা। কিন্তু নতুন এক্সপ্রেসওয়ের ফলে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় এই দূরত্ব পাড়ি দেওয়া যাবে।
দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের ফলে অর্ধেক হয়ে যাবে যাত্রার সময়। দিল্লি থেকে সড়কপথে মুম্বই পৌঁছতে আগে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগত। নয়া রাস্তার ফলে মাত্র ১২ ঘণ্টাতেই এই দূরত্ব পাড়ি দেওয়া যাবে।
৪৬
সড়কপথে দিল্লি থেকে মুম্বইয়ের দূরত্ব ১৪২৪ কিলোমিটার। কিন্তু নয়া এক্সপ্রেসওয়ের ফলে কমবে সেই দূরত্বও। প্রায় ১২ শতাংশ কমে ১২৪২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হবে।
৫৬
মোট ছ'টি রাজ্যের উপর দিয়ে গিয়েছে এই এক্সপ্রেসওয়ে। দিল্লি, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, রাজস্থান ও মহারাষ্ট্র- ৬টি রাজ্যের ৮ টি বিমানবন্দরে যোগসূত্র তৈরি হবে এই সড়কের মাধ্যমে। ৯৮ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে গোটা প্রকল্পের জন্য।
ইতিমধ্যেই ৮টি লেন বানানো হয়েছে এই এক্সপ্রেসওয়েতে। ভবিষ্যতে ১২টি লেন বানানোর জন্য জায়গা রাখা হয়েছে। এছাড়াও যাত্রীদের সুবিধার্থে পথের ধারে প্রয়োজনীয় দোকানের ব্যবস্থা করা হতে পারে।