একটা সময় বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম ছিল থিয়েটার। বর্তমানে বিগ বাজেটের সিনেমা, মাল্টিপ্লেক্সের রমরমায় মৃতপ্রায় অবস্থা থিয়েটারের। যার জেরে করুণ অবস্থা এই থিয়েটারের নেপথ্য শিল্পীদেরও। এবার পুজোয় তাঁদের কথাই মনে করাবে বেহালা ১১ পল্লি।
২৬
কেমন আছেন তাঁরা, তাঁদের পরিবার? থিয়েটার দেখতে বসে অলীক জগতে হারিয়ে যাওয়ার সময় আর সেসব কথা মনে পড়ে না। সেসব খবর নেওয়ারও চেষ্টা করি না আমরা। থিয়েটারের সেই টেকনিশিয়ান, মেক আপ আর্টিস্ট, লাইটম্যানদের সম্মান জানিয়েই সাজছে বেহালার এই মণ্ডপ। সৃজনে শিল্পী রত্নদীপ প্রামাণিক।
থিয়েটারের নেপথ্যে থাকা এই মানুষগুলো পরিবারের কথা ভুলে দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য দিনরাত এক করে কাজ করেন। সময়ে না এলে কখনও তাঁদের পরিচালকের ধমক খেতে হয় তো কখনও হাজারো ক্লান্তি সত্ত্বেও লাইট অপারেটের কাজ চালিয়ে যেতে হয়।
৪৬
অসুস্থ শরীর নিয়েও নিরলস প্রয়াসে নাটকের মঞ্চ প্রস্তুত করেন তাঁরা। সাজিয়ে তোলেন অভিনেতা, অভিনেত্রীদের। এত হাড়ভাঙা খাটনি সত্ত্বেও তাঁরা থেকে যান নেপথ্যে।
৫৬
নিজেদের ৭০ তম বর্ষে তাঁদের কাজকে কুর্নিশ জানাচ্ছে ১১ পল্লি। মণ্ডপজুড়ে থিয়েটার চত্বরের পরিবেশ ফুটে উঠবে। টিকিট কাউন্টার থেকে চায়ের দোকান, পোস্টার, দেওয়াল লিখন, সবকিছুর মাধ্যমেই থিয়েটার কর্মীদের অবদানের বিষয়টি উঠে আসবে।
দুর্গাপুজোর আনন্দে মেতে উঠেও যদি এই মণ্ডপ সেই সব নেপথ্য শিল্পীদের যন্ত্রণা ও দুর্দশার কথা সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দিতে সফল হয়, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় পুরস্কার, বলছেন থিম শিল্পী।
দুর্গোৎসবের সময় মানেই আয়ের দিন। দুর্গা মূর্তি তৈরিই তো শুধু নয়, সঙ্গে রয়েছে আরও কত কাজ! দেবীর অঙ্গরাগ সজ্জায় চলছে গয়না তৈরির কাজ। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
২৬
সপরিবারে দেবীর অঙ্গসজ্জা তৈরিতে তুমুল ব্যস্ত দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর, পালপাড়া, কালিয়ানি, কার্তিকপুরের শিল্পীরা। বাইরে থেকেও এবার এসেছে ভূরি ভূরি বরাত। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
তিরিশ বছরের বেশি সময় ধরে ঝলমলে এই গয়নার কাজ হচ্ছে দেগঙ্গায়। মুখে মুখে এই এলাকাগুলি গয়নাপাড়া হিসাবেই পরিচিতি পেয়েছে। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
৪৬
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মধ্যে যে সব জায়গায় প্রতিমা তৈরি হয় তার মধ্যে অন্যতম দেগঙ্গা ব্লক। এখানকার বিশ্বনাথপুর পালপাড়া প্রতিমা তৈরির জন্য খ্যাত। পালপাড়ায় তৈরি প্রতিমা সাজাতেই এখানে শুরু হয় মায়ের সাজের গয়না তৈরির কাজ। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
৫৬
শিল্পীরা ডিজাইন তৈরি করে গ্রামের বাড়িতে প্রয়োজনীয় পণ্য দিয়ে আসেন। এরপর বাড়িতে বসে মূলত মহিলারাই গয়নায় জরি-চুমকি বসিয়ে কাজ সম্পূর্ণ করেন। তাই পুজোর মরশুমে তাঁরাও অর্থের মুখ দেখেন। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
সাবেকি শোলা-চুমকির গয়নাতেই চিন্ময়ী রূপী দেবী হয়ে ওঠেন অপরূপা। পুজোর দিনগুলোয় আলো ঝলমলে মণ্ডপের সঙ্গে একেবারে সাযুজ্যপূর্ণ সেই সাজ। ছবি ও তথ্য: অর্ণব দাস।
১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ঋ। পুরো নাম- ঋতুপর্ণা সেন। তবে ঋ নামেই বেশি জনপ্রিয় তিনি। 'হাউ মাউ খাউ' রিয়ালিটি শো দিয়েই তুমুল জনপ্রিয়তা পান ঋ। মীর আফসার আলির সঙ্গে ঋতুপর্ণার সঞ্চালনা বেশ মন কেড়েছিল দর্শকদের।
২৫
একাধিক সিরিয়ালেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ছোটপর্দার পরিচিত মুখ হওয়ার পাশাপাশি কিউ পরিচালিত 'গান্ডু', 'তাসের দেশ', 'লুডো'র মতো ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা গিয়েছে ঋ-কে।