কলকাতার বুকে ‘বিশ্বকাপ পাড়া’, ফিফার স্বীকৃতি পেয়ে বাক্যহারা ফড়িয়াপুকুর
নিজেদের ‘শিল্প’কে আর পাঁচটা পাড়ার সঙ্গে মেলাতে নারাজ ফড়িয়াপুকুরের ফুটবলপ্রেমীরা। তাঁদের বক্তব্য পাড়ার দেওয়ালে আঁকা প্রতিটা ছবির নেপথ্যে বিশেষ ভাবনা রয়েছে।
বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে ভারত কখনও মূল পর্বে খেলেনি। প্রতিবার দর্শক হিসেবেই থাকে আসমুদ্রহিমাচল। কিন্তু তাতে ভাঁটা পড়ে না বাঙালির ফুটবল প্রেমে। প্রতি চার বছরে এই একটা মাস (এবার দেড় মাস) যেন নাগরিকত্ব বদলে ফেলে উৎসাহী জনতা। কেউ ব্রাজিল, কেউ আর্জেন্টিনা। ইতিউতি দেখা যায় জার্মানি-স্পেন-ইংল্যান্ড-ফ্রান্স অনুরাগী। আবার সাম্প্রতিক সময়ে পর্তুগালের হয়ে গলা চড়ানোর মানুষও অনেক। সৌজন্যে অবশ্যই ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো।
আরও পড়ুন:
পাড়া সাজানোর এহেন রেওয়াজ শুরু হল কীভাবে? ফড়িয়াপুকুরের পাড়া সাজানোর ক্ষেত্রে 'শিল্পী' মূলত রাজ কাহার, সুশান্ত দাস, চন্দন শর্মা, দীপকুমার বাহাদুর, রাজীব লাসরা। রাজ বলছিলেন, "২০১০ সালে বিশ্বকাপের এক স্পনসরের তরফে কলকাতায় পাড়া সাজানো নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছিল। তখন থেকেই বিশ্বকাপে এগুলো করেছি। গতবার পর্যন্ত সেই প্রতিযোগিতা হয়েছিল। এবার তেমন কিছু হয়নি। তবে আমরা রেওয়াজ বন্ধ করব না।"