বিশ্বকাপে সবচেয়ে টানটান গোল্ডেন বুটের লড়াই, দৌড়ে ৫ তারকা, গোলসংখ্যা সমান হলে কী হবে?
এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতা কিলিয়ান এমবাপে। মেসিকে টপকে গিয়েছেন তিনি।
এ পর্যন্ত বিশ্বকাপের মোট ২২টি আসর বসেছে। তার মধ্যে ১২টিতেই সর্বোচ্চ গোলদাতার গোলসংখ্যা ছিল ৬। এবারের বিশ্বকাপে ৬ গোল করলে তৃতীয় স্থান জুটবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ গোলদাতার গোলসংখ্যা ৮। অতীতে বিশ্বকাপে আটের চেয়ে বেশি গোল করেছেন একাধিক গোল্ডেন বুট বিজেতা। ১৯৫৮ সালে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেন ১৩টি গোল করেন। সেটাই এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ।
আরও পড়ুন:
এ বছর বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াইয়ে এখনও পাঁচজন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজন সমসংখ্যক গোলে দাঁড়িয়ে। প্রশ্ন হল, শেষপর্যন্ত গোলসংখ্যা যদি সমান থাকে তাহলে কে গোল্ডেন বুট জিতবে? সেক্ষেত্রে কোন শর্ত মানা হবে। ফিফার নিয়ম বলছে দু'জন যদি সমসংখ্যক গোলে থাকে, তাহলে যার অ্যাসিস্ট বেশি তাঁকে ওই খেতাব দেওয়া হবে। আবার অ্যাসিস্টও যদি সমান হয়, তাহলে কে কম সময় মাঠে ছিলেন-সেটা দেখা হবে।
সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এই মুহূর্তে দ্বিতীয় স্থানে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তিনিও আটটি গোল করেছেন। অর্থাৎ গোল্ডেন বুটের জন্য একেবারে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর চলছে। এমবাপের চেয়ে অ্যাসিস্টের সংখ্যা কম থাকায় মেসি দ্বিতীয় স্থানে। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও মেসিই। তিনি এখনও পর্যন্ত ২১টি গোল করেছেন।
আরও পড়ুন:
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন সর্বোচ্চ গোলস্কোরারদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে। চলতি বিশ্বকাপে তিনিও ৬টি গোল করে ফেলেছেন। মজার কথা হল, ২০১৮ সালেও কেন ৬টি গোল করেছিলেন। সেবার তিনি সোনার বুটের শিরোপার অধিকারী হন। কিন্তু এবার তিনি এখনও পর্যন্ত রয়েছেন তৃতীয় স্থানে। এ বছর অবশ্য কেনের কাছে সুযোগ থাকছে গোলসংখ্যা কিছুটা বাড়িয়ে নেওয়ার।
ফ্রান্সের ওসুমানে দেম্বেলেও সর্বোচ্চ গোলস্কোরারদের তালিকায় ঢুকে পড়েছেন। তিনি বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করে ফেলেছেন। সঙ্গে দু'টি অ্যাসিস্টও রয়েছে। সব মিলিয়ে অন্তত পাঁচজন এখনও গোল্ডেন বুট পাওয়ার দৌড়ে। এবং এদের প্রত্যেকের দল বিশ্বকাপে খেলছে। অতীতে কোনও বিশ্বকাপে এত টানটান লড়াই সোনার বুটের জন্য হয়নি। অবশ্য সেটার অন্যতম কারণ দলের সংখ্যা বাড়া। দল বাড়ায় ম্যাচ বেড়েছে। হয়তো কিছুটা কমেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মানও।