ডিজিটাল দুনিয়ায় অমর একাদশকে স্মরণ, ছবিতে দেখে নিন মোহনবাগানের সোনায় লেখা ইতিহাস
করোনার জেরে মোহনবাগান দিবসে সোশ্যাল মিডিয়াতেই দিনভর অনুষ্ঠান।
২০০১-এর বৃষ্টিময় এক রবিবারের সন্ধ্যায় মোহনবাগান মাঠে শামিয়ানা খাটিয়ে শুরু হয়েছিল ‘মোহনবাগান দিবস’ পালনের অনুষ্ঠান। প্রথমবার ‘মোহনবাগান রত্ন’ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল তৎকালীন লিভিং লেজেন্ড ফুটবলার এবং ক্রীড়া প্রশাসক ‘পদ্মশ্রী’ শৈলেন মান্নাকে। সেরা ভারতীয় খেলোয়াড় হিসাবে ‘জার্নেল সিং পুরস্কার’ দেওয়া হয়েছিল ষষ্ঠী দুলেকে। হোস র্যামিরেজ ব্যারেটোর হাতে সেরা খেলোয়াড় হিসাবে ‘ধীরেন দে পুরস্কার’ তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
২০০৩। ক্লাবে হাইকোর্ট নির্দেশিত স্পেশাল অফিসার থাকা অবস্থায় সভাপতি স্বপনসাধন বোস মোহনবাগান দিবসের মাত্র কিছুদিন আগে মোহনবাগান সমর্থকদের উৎকণ্ঠা কাটিয়ে ঘোষণা করেন ১৯১১ সালে শিল্ড-জয়ী অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী-কে মরণোত্তর ‘মোহনবাগান রত্ন’ সম্মানে ভূষিত করার কথা। ক্লাব তাঁবুর অনুষ্ঠান মঞ্চে শিবদাস ভাদুড়ীর পরিবার-পরিজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
২০১০। ঐতিহাসিক শিল্ড বিজয়ের শতবর্ষে অধিনায়ক শিবদাস ভাদুড়ী বাদে (ইতিমধ্যে সম্মানিত) সেই দলের বাকি দশ সদস্যকে একযোগে ‘মোহনবাগান রত্ন’ প্রদান করা হয়। এই বছরের ‘মোহনবাগান দিবস’-কে কেন্দ্র করে তুমুল উন্মাদনার সৃষ্টি হয়েছিল। ক্লাবের তাঁবু বিশেষ আলোকসজ্জায় সাজানো হয়। ক্লাবের মূল প্রবেশপথে অমর একাদশের ছবি-সহ শিল্ডের প্রতিকৃতি অনুসারে বিশাল তোরণ করা হয়। শিল্ড জয়ের শতবর্ষের সূচনা হিসাবে ভারত সরকারের পোস্টাল বিভাগের তরফে প্রকাশিত স্পেশাল এনভেলপেরও উদ্বোধন...